📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশের লাঠিচার্জে মেরুদণ্ডে সমস্যা থাকায় ক্রাচ ব্যবহার করে আন্দোলন নেতৃত্ব দেন মেসবাহ উদ্দীন: ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশের লাঠিচার্জে মেরুদণ্ডে সমস্যা থাকায় ক্রাচ ব্যবহার করে আন্দোলন নেতৃত্ব দেন মেসবাহ উদ্দীন: ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দিতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন নেতা মেসবাহ উদ্দীন আহমেদ বলেছেন, মেরুদণ্ডে সমস্যা থাকায় ক্রাচ ব্যবহার করে পুলিশের লাঠিচার্জের মুখে অবস্থান থেকে সরে যাননি। তিনি দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের অত্যাচার, গুলিবর্ষণ ও হতাহতের ঘটনায় শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়সহ সরকারি কর্মকর্তাদের বিচার দাবি করেছেন

ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দিতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন নেতা মেসবাহ উদ্দীন আহমেদ মেরুদণ্ডের সমস্যা থাকায় ক্রাচ ব্যবহার করে পুলিশের লাঠিচার্জের মুখে অবস্থান থেকে সরে যাননি। তিনি বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় পুলিশের অত্যাচার, রাবার বুলেট ও গুলিবর্ষণে শতাধিক ছাত্রছাত্রী আহত এবং এক ছাত্র শহীদ হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মেসবাহ উদ্দীন আহমেদ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দিতে বলেছেন, মেরুদণ্ডে সমস্যা থাকায় ক্রাচ ব্যবহার করলেও পুলিশের লাঠিচার্জের মুখে অবস্থান থেকে সরে যাননি।
  • 📌 ১৮ জুলাই ২০২৪ ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগেই পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জ শুরু করে।
  • 📌 ২০০-২৫০ জন ছাত্রছাত্রী আহত হয় পুলিশের হামলায়, এর মধ্যে জিল্লুর শেখ শহীদ হন।
  • 📌 ১৯ জুলাই উত্তর বাড্ডার সড়কে পুলিশ ও যুবলীগের সহায়তায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা আন্দোলনকারীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। মেসবাহ উদ্দীন ১০ জনের মতো আন্দোলনকারীকে গুলিবিদ্ধ হতে দেখেন।
  • 📌 ৫ আগস্ট মেসবাহ উদ্দীন জানতে পারেন, তৎকালীন তথ্য প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সালমান এফ রহমানের সাথে ফোনে কথা বলেছিলেন। তারা শেখ হাসিনার নির্দেশে ইন্টারনেট বন্ধের বিষয় আলোচনা করেছিলেন।
  • 📌 মেসবাহ দাবি করেছেন, ইন্টারনেট বন্ধের উদ্দেশ্য ছিল আন্দোলনকারীদের হতাহতের সংবাদ প্রচারিত হতে না দেওয়া।
  • 📌 মামলায় আসামি: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

📰 বিস্তারিত

মেসবাহ উদ্দীন আহমেদ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দিতে বলেছেন, তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক ছিলেন। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, জুনাইদ আহমেদ পলকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া স্ট্যাটাস এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদদের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

১৮ জুলাই সকাল ১০টায় কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগেই পুলিশ বাধা দেয়। প্রথমে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়। এরপর শুরু হয় লাঠিচার্জ। মেসবাহ উদ্দীন বলেন, মেরুদণ্ডের সমস্যার কারণে ক্রাচ ব্যবহার করলেও তিনি অবস্থান থেকে সরে যাননি। পুলিশের লাঠিচার্জের পর রাবার বুলেট এবং শটগানের গুলি করতে থাকে। আন্দোলনকারীদের ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে গেইট বন্ধ করে দিলে পুলিশ গেইটের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। ওই দিনের পুলিশের হামলায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০-২৫০ জন ছাত্রছাত্রী আহত হয়। অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতাধিক আন্দোলনকারীও আহত হয়। সেই সঙ্গে ইম্পেরিয়াল কলেজের ছাত্র জিল্লুর শেখ পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।

১৯ জুলাই উত্তর বাড্ডার প্রধান সড়কে অবস্থানরত আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ ও বিজিবির সহায়তায় আওয়ামী লীগ এবং যুবলীগের সন্ত্রাসীরা সশস্ত্র হামলা চালায়। মেসবাহ উদ্দীন বলেন, যুবলীগের সদস্যদের গায়ে তাদের লোগো-সংবলিত পোশাক ছিল। ওই হামলায় তিনি ১০ জনের মতো আন্দোলনকারীকে গুলিবিদ্ধ হতে দেখেন। সেখানে অ্যাম্বুলেন্সের ওপরেও হামলা করা হয়। সেদিন রামপুরা, বাড্ডা এলাকায় ৩০-৪০ জনের মতো শহীদ হয়েছিল।

"মেরুদণ্ডে সমস্যা থাকার কারণে ক্রাচ ব্যবহার করছিলাম। আন্দোলনের সামনের সারিতে ছিলাম। পুলিশের লাঠিচার্জ সত্ত্বেও আমার অবস্থান থেকে সরিনি। পুলিশ আমার ওপরেও লাঠিচার্জ করে।"

মেসবাহ উদ্দীন আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর তিনি জানতে পারেন, তৎকালীন তথ্য প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আরেকজন ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন। ওই ব্যক্তি সম্ভবত সালমান এফ রহমান। তাদের কথোপকথনের বিষয় ছিল ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া। শেখ হাসিনার নির্দেশে ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছিল। ইন্টারনেট বন্ধের উদ্দেশ্য ছিল তৎকালীন সরকারের হামলায় আন্দোলনকারীদের নিহত এবং আহত হওয়ার সংবাদ যাতে প্রচারিত হতে না পারে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা; উত্তর বাড্ডার প্রধান সড়ক, ঢাকা; রামপুরা, বাড্ডা এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেসবাহ উদ্দীন আহমেদ, জিল্লুর শেখ, জুনাইদ আহমেদ পলক, সালমান এফ রহমান, সজীব ওয়াজেদ জয়
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০-২৫০ জন আহত ছাত্রছাত্রী, ১০ জন গুলিবিদ্ধ আন্দোলনকারী, ৩০-৪০ জন শহীদ (রামপুরা-বাড্ডা), ১৬, ১৮, ১৯ জুলাই ২০২৪

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖