📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুরের সিও বাজারে গোপন অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬টি মামলার আসামি মেরিল সুমন, ইয়াবা ও অস্ত্র ধরে পাওয়ার অভিযোগ

রংপুরের সিও বাজারে গোপন অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬টি মামলার আসামি মেরিল সুমন, ইয়াবা ও অস্ত্র ধরে পাওয়ার অভিযোগ

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরের সিও বাজারে গোপন অভিযানে ২৬টি মামলার আসামি রাজিব হোসেন সুমন (মেরিল সুমন) গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র আইন লঙ্ঘন, ডাকাতির প্রস্তুতি, চাঁদাবাজি ও মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। এসআরবি-১৩-এর কর্মকর্তারা জানান, তিনি ইয়াবা সেবনের উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন।

রংপুরের সিও বাজার এলাকায় গোপন অভিযানে ২৬টি মামলার আসামি রাজিব হোসেন সুমন (মেরিল সুমন) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩ (এসআরবি-১৩) রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার দুপুরে রংপুর সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি-১৩-এর উপ-অধিনায়ক মেজর সাইফুল ইসলাম এই তথ্য জানান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৬টি মামলার আসামি রাজিব হোসেন সুমন (মেরিল সুমন) রংপুরের সিও বাজার থেকে গ্রেপ্তার হন, তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র আইন লঙ্ঘন, ডাকাতির প্রস্তুতি, চাঁদাবাজি ও মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে
  • 📌 মামলার বিস্তারিত: হত্যা চেষ্টার ও মারামারির ৮টি, চাঁদাবাজির ৪টি, ডাকাতির প্রস্তুতির ৩টি, অস্ত্র আইনে ৬টি এবং অন্যান্য আইনে ৫টি মামলা রয়েছে
  • 📌 গোপন অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়, কারণ তিনি ইয়াবা সেবনের উদ্দেশ্যে সিও বাজারে অবস্থান করছিলেন
  • 📌 পূর্বের গ্রেপ্তার: ২০১৫ সালে জাপানি নাগরিক হত্যা মামলা, ২০১৯ সালে বিদেশি অস্ত্র ও গুলি ধরে পাওয়ার জন্য, ২০২৩ সালে পিস্তল ও ইয়াবা ধরে পাওয়ার জন্য এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঠাকুরগাঁও পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার হন
  • 📌 অপরাধের নেতৃত্ব: আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দাবি, তিনি নিজস্ব বাহিনী গঠন করে রংপুর অঞ্চলের অপরাধজগত নিয়ন্ত্রণ করতেন

📰 বিস্তারিত

সোমবার দুপুরে রংপুর সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত মেজর সাইফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিও বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মেরিল সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। কর্মকর্তারা বলেন, তিনি ইয়াবা সেবনের উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন। এছাড়া, তার বিরুদ্ধে ২৬টি মামলার মধ্যে হত্যা চেষ্টার ও মারামারির আটটি, চাঁদাবাজির চারটি, ডাকাতির প্রস্তুতির তিনটি, অস্ত্র আইনে ছয়টি এবং হত্যা, অপহরণ, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও দ্রুত বিচার আইনে একটি করে মামলা রয়েছে।

২০১৫ সালে রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে তৎকালীন র‌্যাব-৫ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। ২০১৯ সালে রংপুরের তাজহাট এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে বিদেশি পিস্তল, রিভলবার, গুলি, ওয়ান শুটার গান ও চীনা কুড়ালসহ তৎকালীন র‌্যাব-১৩ তাকে গ্রেপ্তার করে। ২০২৩ সালে রংপুর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পিস্তল ও ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ও ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে তিনি গ্রেপ্তার হন।

গ্রেপ্তারের পর তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে তাকে একনজর দেখতে জরুরি বিভাগে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। পরে তাকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, মেরিল সুমন নিজস্ব একটি বাহিনীর মাধ্যমে রংপুর অঞ্চলের অপরাধজগত নিয়ন্ত্রণ করতেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

"মেরিল সুমন নিজস্ব একটি বাহিনী গঠন করে রংপুর অঞ্চলের অপরাধজগত নিয়ন্ত্রণ করতেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুরের সিও বাজার, রংপুর সদর দপ্তর, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজিব হোসেন সুমন (মেরিল সুমন), মেজর সাইফুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬টি মামলা, ৮টি হত্যা-মারামারি মামলা, ৪টি চাঁদাবাজি মামলা, ৩টি ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা, ৬টি অস্ত্র আইন লঙ্ঘন মামলা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖