📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মেঘনা-গোমতী সেতু টোল চুক্তি মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ আসামির প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১০ ডিসেম্বর নির্ধারণ

মেঘনা-গোমতী সেতু টোল চুক্তি মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ আসামির প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১০ ডিসেম্বর নির্ধারণ

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায় চুক্তিতে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলায় আদালত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করেছে ১০ ডিসেম্বর। দুদকের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে

ঢাকার একটি বিশেষ আদালতে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায় চুক্তিতে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ ডিসেম্বর। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালত এ দিন নির্ধারণ করেন। দুদক নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার অক্ষমতার কারণে নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায় চুক্তিতে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ ডিসেম্বর
  • 📌 ২০১৬ সালে সিএনএস লিমিটেডকে একক উৎসভিত্তিক চুক্তির মাধ্যমে টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া ছাড়াই করা হয়েছিল
  • 📌 চুক্তিতে সিএনএসকে মোট টোলের ১৭.৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়, ফলে পাঁচ বছরে প্রতিষ্ঠানটি ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকার বেশি বিল গ্রহণ করে
  • 📌 ২০১০-২০১৫ মেয়াদে এমবিইএল-এটিটির টোল ব্যবস্থাপনার ব্যয় ছিল প্রায় ১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, অন্যদিকে ২০২২-২০২৫ মেয়াদে ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের ব্যয় প্রায় ১১২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা
  • 📌 সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকা

📰 বিস্তারিত

২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর দুদক শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৬ সালে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়ার সময় আগের বৈধ দরপত্র প্রক্রিয়া বাতিল করে প্রতিযোগিতামূলক আলোচনা ছাড়াই সিএনএস লিমিটেডকে একক উৎসভিত্তিক দরপত্রের মাধ্যমে চুক্তি দেওয়া হয়। এই চুক্তিতে সিএনএসকে মোট টোলের ১৭.৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়, যা পাঁচ বছরে প্রতিষ্ঠানটির জন্য ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকার বেশি বিল গ্রহণের কারণ হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত একই সেতুর টোল ব্যবস্থাপনায় এমবিইএল-এটিটির ব্যয় ছিল প্রায় ১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। অন্যদিকে, ২০২২ থেকে ২০২৫ মেয়াদে একই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেড তিন বছরের চুক্তি পায় প্রায় ৬৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকায়। পাঁচ বছরের হিসাবে এ ব্যয় প্রায় ১১২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা দাঁড়ায়। এই তুলনামূলক হিসাবের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ করেছে, সিএনএসকে একক উৎসভিত্তিক চুক্তির মাধ্যমে টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়ায় সরকারের প্রায় ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ওবায়দুল কাদের ও আনিসুল হক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাবেক সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক জলিল, উপসচিব মোহাম্মদ শফিকুল করিম, প্রকৌশলী মো. ফিরোজ ইকবাল, ইবনে আলম হাসান, মো. আফতাব হোসেন খান ও মো. আব্দুস সালাম এবং সিএনএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীর উজ জামান চৌধুরী, পরিচালক সেলিনা চৌধুরী ও ইকরাম ইকবাল আসামি রয়েছেন।

"মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায় চুক্তিতে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ ডিসেম্বর।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা, জজ শাহজাহান কবির, সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, এম এ মান্নান, সেলিনা চৌধুরী, ইকরাম ইকবাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ জন আসামি, ১০ ডিসেম্বর (তারিখ), ১৭.৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ, ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা, ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকা আর্থিক ক্ষতি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖