📌 মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় ২০০৮ সালে চা বিক্রেতা দুরুদ মিয়ার হত্যাকাণ্ড মামলায় ছাদিক মিয়া (৬৫) মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন। আদালত ৭ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছে। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযানে দুটি গান উদ্ধার করা হয়েছে
মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় ২০০৮ সালের একটি হত্যাকাণ্ড মামলায় আজ সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক শামসাদ বেগম মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন। মামলায় অভিযুক্ত ছাদিক মিয়া (৬৫)কে ফাঁসির রশিতে ঝুলিয়ে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে মামলার ৭ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নাজিরাবাদ ইউনিয়নের নারাইনপাশায় চা বিক্রেতা দুরুদ মিয়ার হত্যাকাণ্ড মামলায় ছাদিক মিয়া (৬৫) মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন
- 📌 ২০০৮ সালের ১২ জুন সকালে দুরুদ মিয়া পাওনা ১ হাজার ২৬৩ টাকা ছাদিক মিয়ার কাছে চান, যার কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটে
- 📌 মামলায় মকবুল মিয়া (দুরুদ মিয়ার ছেলে) বাদী হিসেবে ৮ আসামির নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন
- 📌 রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হক দাবি করেছেন, দীর্ঘ শুনানির পর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে
- 📌 কক্সবাজারের উখিয়ার ২ নম্বর ওয়েস্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযানে দুটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার গান ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নাজিরাবাদ ইউনিয়নের নারাইনপাশায় ২০০৮ সালের ১২ জুন সকালে চা বিক্রেতা দুরুদ মিয়ার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বিচারক শামসাদ বেগমের রায়ে নতুন মোড় নেয়। দুরুদ মিয়া পাওনা ১ হাজার ২৬৩ টাকা ছাদিক মিয়ার কাছে চান, যার কারণে ছাদিক মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে দলবল নিয়ে এসে দুরুদ মিয়ার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মামলায় মকবুল মিয়া (দুরুদ মিয়ার ছেলে) বাদী হিসেবে ৮ আসামির নাম উল্লেখ করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হক জানান, দীর্ঘ শুনানির পর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ছাদিক মিয়ার মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসির রশিতে ঝুলিয়ে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর ৭ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, কক্সবাজারের উখিয়ার ২ নম্বর ওয়েস্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের বিশেষ অভিযানে দুটি সহোদরকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার গান, চার রাউন্ড গুলি ও দুটি শটগানের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। এপিবিএন দাবি করেছে, এই গুলি ও অস্ত্রের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।
"দীর্ঘ শুনানি শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি ছাদিক মিয়ার মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসির রশিতে ঝুলিয়ে কার্যকর করার নির্দেশ প্রদান করেন আদালতের বিজ্ঞ বিচারক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মৌলভীবাজার সদর উপজেলা, নাজিরাবাদ ইউনিয়ন, নারাইনপাশা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ছাদিক মিয়া (৬৫), দুরুদ মিয়া, মকবুল মিয়া, বিচারক শামসাদ বেগম, অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫ বছর (ছাদিক মিয়ার বয়স), ৭ আসামিকে বেকসুর খালাস, ১২ জুন ২০০৮ (ঘটনার তারিখ), ১ হাজার ২৬৩ টাকা (পাওনা), ৮ আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!