📌 মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোখলেস মিয়া ২০১৭ সালের একটি মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালত তার জামিনের দাবি প্রত্যাখ্যান করে কারাদণ্ড কার্যকর করেছে। আইনজীবীরা বলছেন, আগের সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ১০টিরও বেশি রাজনৈতিক মামলা ছিল
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এবং ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দলের সদস্য মোখলেস মিয়া কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালত তার বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের একটি মামলায় কারাদণ্ড কার্যকর করেছে। সোমবার নিম্ন আদালতের আদেশে মোখলেস মিয়া কারাগারে পাঠানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৎস্য প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোখলেস মিয়া কারাগারে পাঠানো হয়েছে
- 📌 ২০১৭ সালের শাহবাগ থানার মামলায় তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল
- 📌 আইনজীবী রুবেল খান জানান, ২০২৩ সালে মামলায় সাজা কার্যকর করা হয়েছিল
- 📌 মোখলেস মিয়ার বিরুদ্ধে আগের সরকারের আমলে ১০টিরও বেশি রাজনৈতিক মামলা ছিল
- 📌 বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নির্বাচনের আগে শতাধিক মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
মোখলেস মিয়া ২০১৭ সালে রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা একটি মামলায় আত্মসমর্পণ করেন। সোমবার আদালত তার হাজিরা নেওয়ার পর কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আইনজীবী রুবেল খান সমকালকে বলেন, ওই মামলাটি ছিল ‘গায়েবি’ মামলা। ২০২৩ সালে মামলায় তার বিরুদ্ধে সাজা কার্যকর করা হয়েছিল। আইনজীবীরা জানান, মোখলেস মিয়ার জামিনের জন্য চেষ্টা চলছে।
আইনজীবীরা দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে মোখলেস মিয়ার বিরুদ্ধে ১০টিরও বেশি রাজনৈতিক মামলা ছিল। এসব মামলার বেশ কয়েকটিতে তিনি বেকসুর খালাস পেয়েছিলেন। তবে ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি করে শতাধিক মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছিল। আইনজীবীরা মনে করেন, মোখলেস মিয়ার বিরুদ্ধেও একইভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে।
"২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছিল। মোখলেস মিয়ার বিরুদ্ধেও একইভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, শাহবাগ থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোখলেস মিয়া, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর, রুবেল খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০টি (মামলা), ২ বছর (কারাদণ্ড)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!