📌 মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় পরকীয়া প্রেমের জেরে ভাবি ও তার শিশু ভাতিজাকে হত্যা করে দেবর সোলাইমান হোসেনকে (৩৪) ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলায় বাদীপক্ষ অসন্তুষ্ট এবং উচ্চ আদালতে আপিলের ঘোষণা দিয়েছে
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় পরকীয়া প্রেমের জেরে ভাবি ও তার শিশু ভাতিজাকে হত্যা করে দেবর সোলাইমান হোসেনকে (৩৪) ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস. কে. এম. তোফায়েল হাসান এই রায় ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার উত্তর কাউন্নারা গ্রামে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ভাবি পারভীন ও তার শিশু ভাতিজা আব্দুন নূরকে হত্যা করা হয় পরকীয়া প্রেমের জেরে।
- 📌 দেবর সোলাইমান হোসেন (৩৪) এই হত্যাকাণ্ডের দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন।
- 📌 মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সোলাইমানের সঙ্গে তার ভাবি পারভীন পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং বিয়ে চাপ দিলে বিরোধের জেরে পারভীনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
- 📌 হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ সোলাইমানকে গ্রেপ্তার করে এবং তিনি ঘটনা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।
- 📌 মানিকগঞ্জ জেলা জজ কোর্টের পি পি আ. ফ. ম. নুরতাজ আলম বাহার দোষীর সাজা অপর্যাপ্ত বলে মন্তব্য করেন এবং উচ্চ আদালতে আপিলের ঘোষণা দেন।
- 📌 আসামির পক্ষের আইনজীবী মাহবুবুল ইসলাম দাবি করেন, মামলার তদন্তে সন্দেহ রয়েছে এবং ফরেনসিক প্রমাণের অভাবের কারণে রায়ে অসন্তুষ্ট।
📰 বিস্তারিত
মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস. কে. এম. তোফায়েল হাসান মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় দেবর সোলাইমান হোসেনের বিরুদ্ধে দশ বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। এই রায়ের মাধ্যমে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ঘটে যাওয়া ভাবি ও তার শিশু ভাতিজা নিহত হওয়ার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হন সোলাইমান।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোলাইমানের সঙ্গে তার ভাবি পারভীন পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একসময় পারভীন বিয়ে চাপ দিলে সোলাইমান বিরক্ত হয়ে পারভীনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। হত্যাকাণ্ডের পর তার শিশু ভাতিজা আব্দুন নূরও ফেলায় পড়ে মারা যান। পুলিশ সোলাইমানকে গ্রেপ্তার করে এবং তিনি ঘটনা স্বীকার করে পুলিশের কাছে জবানবন্দী দেন।
মামলার এজাহার পক্ষের আইনজীবী নুরতাজ আলম বাহার দোষীর সাজা অপর্যাপ্ত বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, দোষীর জন্য এই সাজা যথেষ্ট নয় এবং উচ্চ আদালতে আপিলের ঘোষণা দেন। অন্যদিকে আসামির পক্ষের আইনজীবী মাহবুবুল ইসলাম দাবি করেন, মামলার তদন্তে সন্দেহ রয়েছে এবং ফরেনসিক প্রমাণের অভাবের কারণে রায়ে ন্যায়বিচার হয়নি। তিনি দাবি করেন, হত্যার জন্য ব্যবহৃত ছুরিটি ফরেনসিক টেস্টের পর আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি।
"মামলার আইও এর তদন্তের উপরে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে, এখানে ন্যায় বিচার হয়নি। যে ছুরি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে সেই ছুরিও ফরেনসিক টেস্টের পর আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর কাউন্নারা গ্রাম, সাটুরিয়া উপজেলা, মানিকগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোলাইমান হোসেন (৩৪), পারভীন, আব্দুন নূর, বিচারক তোফায়েল হাসান, নুরতাজ আলম বাহার, মাহবুবুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর কারাদণ্ড, ৩৪ বছর বয়স, ২০২০ সালের জানুয়ারি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!