📌 মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় মা ও ছেলেকে হত্যার মামলায় সোলায়মান হোসেনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছে আদালত। রায়ে অসন্তুষ্ট বাদী ও আসামিপক্ষ উভয়ই আপিলের ঘোষণা দিয়েছে।
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় মা ও ছেলেকে হত্যার মামলায় বিচারক এস কে এম তোফায়েল হাসান সোলায়মান হোসেনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছেন। জরিমানা অনাদায়ে আসামিকে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পর বাদী ও আসামিপক্ষ উভয়ই উচ্চ আদালতে আপিলের ঘোষণা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত সোলায়মান হোসেনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছে
- 📌 জরিমানা অনাদায়ে আসামিকে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হয়েছে
- 📌 ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি সাটুরিয়ার সাফুল্লী গ্রামে পারভিন আক্তার (৩৫) ও ছেলে আব্দুল নূর (৬)কে হত্যা করা হয়েছিল
- 📌 মামলায় ৩১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণের পর ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে
- 📌 চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে মঙ্গলবার পর্যন্ত ১ হাজার ৭০ জনকে আটক করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস কে এম তোফায়েল হাসান আজ মঙ্গলবার বিকেলে সোলায়মান হোসেনের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন। সোলায়মান হোসেন (৩৪) সাটুরিয়া উপজেলার উত্তর কাউন্নারা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। নিহত পারভিন আক্তার (৩৫) সোলায়মানের ভাবি। মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টা থেকে পরদিন সকাল ৬টার মধ্যে সাটুরিয়ার সাফুল্লী গ্রামে নিজ বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পারভিন আক্তার ও তাঁর ছয় বছরের ছেলে আব্দুল নূরকে হত্যা করা হয়।
পরদিন পারভিনের মা মজিরন বেগম অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সাটুরিয়া থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম ২০২০ সালের ১৪ মে সোলায়মানকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। তদন্ত প্রতিবেদনে পারভিনের সঙ্গে সোলায়মানের বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্ক এবং সম্পর্কের অবনতির জেরে হত্যাকাণ্ডের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে সোলায়মানের ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় ৩১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত সোলায়মানকে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দিয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুল ইসলাম বলেন, রায়ে তাঁরা অসন্তুষ্ট। খালাস চেয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন তাঁরা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আ. ফ. ম. নূরতাজ আলম বাহার বলেন, ৩১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আসামিকে দণ্ড দিয়েছেন। বাদীপক্ষও রায়ে অসন্তোষ জানিয়ে উচ্চ আদালতে আপিলের ঘোষণা দিয়েছে। বাদীপক্ষের প্রত্যাশা ছিল, জোড়া হত্যার ঘটনায় সোলায়মানের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে।
চট্টগ্রামে পুরোনো ও থানাভিত্তিক তালিকা ধরে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। মঙ্গলবার পর্যন্ত জেলায় ১ হাজার ৭০ জনকে আটক করা হয়েছে। নগরে খুলশী ও বাকলিয়ায় সাম্প্রতিক সহিংসতার পর অভিযান জোরদার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
"রায়ে আমরা অসন্তুষ্ট। খালাস চেয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করব"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাটুরিয়া উপজেলা, মানিকগঞ্জ; চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোলায়মান হোসেন, পারভিন আক্তার, আব্দুল নূর, বিচারক এস কে এম তোফায়েল হাসান, আইনজীবী মাহবুবুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর (কারাদণ্ড), ৩০ হাজার টাকা (জরিমানা), ৩ মাস (বিনাশ্রম কারাদণ্ড), ৩৫ বছর (পারভিন আক্তার), ৬ বছর (আব্দুল নূর), ৩১ জন (সাক্ষী), ১ হাজার ৭০ জন (আটক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!