📌 পলাতক অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর লাশ ১৭ ঘণ্টা পর গোপালগঞ্জের চিতলিয়া গ্রামে পরিবারের সদস্যদের খোড়া কবরে দাফন করা হয়। দাফনের সময় এলাকাবাসীদের হস্তক্ষেপের কারণে কবর খোড়া-ভরাটের লড়াই হয়। পুলিশ ও জেলা জামায়াতের সহায়তায় নিরাপদে দাফন সম্পন্ন হয়
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পলাতক অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান সাক্ষী মানিক পশারীর লাশ ১৭ ঘণ্টা পর পরিবারের সদস্যদের খোড়া কবরে দাফন করা হয়েছে। দাফনের সময় এলাকাবাসীদের হস্তক্ষেপের কারণে কবর খোড়া-ভরাটের লড়াই হয়। পুলিশ ও জেলা জামায়াতের সহায়তায় নিরাপদে দাফন সম্পন্ন হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানিক পশারীর মৃত্যু: গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পলাতক অবস্থায় ২০২৬ সালের ২৪ অক্টোবর সকাল ১০টায় মৃত্যুবরণ করেন ৮৭ বছর বয়সী মানিক পশারী।
- 📌 ১৭ ঘণ্টা পর দাফন: মৃত্যুর ১৭ ঘণ্টা পর রাত ২টায় পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে পরিবারের সদস্যদের খোড়া কবরে দাফন করা হয়।
- 📌 কবর খোড়া-ভরাটের লড়াই: মানিকের বোন জানান, কবর খোড়ার সময় এলাকাবাসীরা কবর ভরাট করে ফেলে। পরে পুলিশের সহায়তায় আবার কবর খোড়া হয়।
- 📌 পুলিশ ও জামায়াতের সহায়তা: জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, জামায়াতের নেতারা কোনো বাধা সৃষ্টি করেননি। পুলিশের নিরাপত্তায় দাফন সম্পন্ন হয়।
- 📌 মানিক পশারীর ভূমিকা: মানিক পশারী (৮৭) পিরোজপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি সাঈদীর মামলায় বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান সাক্ষী ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
শনিবার সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পলাতক অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন মানিক পশারী। মৃত্যুর পর একইদিন দুপুর ১২টায় লাশ সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিয়ে আসা হয়। সেখানে জেলা জামায়াতের নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়ে মানিকের লাশসহ পরিবারের সদস্যরা। পরে পুলিশের সহায়তায় লাশ পুলিশ লাইনসে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকাল ৫টায় গার্ড অব অনার শেষে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় লাশ ঘিরে রাখে পুলিশ।
রাত ১টায় পুলিশ জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সহায়তায় লাশ মানিক পশারীর বাড়িতে পৌঁছে দেয়। রাত ২টায় পরিবারের সদস্যরা মিলে কবর খুঁড়ে দাফন কাজ শেষ করেন। মানিকের বোন জানান, ‘আমার ভাইয়ের লাশ টুঙ্গিপাড়া থেকে পিরোজপুর আনার পর এলাকাবাসীরা ধস্তাধস্তি করছে। কবর খোড়ার সময় তারা আবার কবর ভরাট করে ফেলে। পরে পুলিশের সহায়তায় আবার কবর খোড়া হয় এবং মাডি দিয়েছে আমরা। কোনো পুরুষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন না।’
সদর থানার ওসি মো. শরিফুল ইসলাম জানান, পুলিশের নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মানিক পশারীর লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। কবরের পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
"আমার ভাইরে টুঙ্গিপাড়া দিয়ে পিরোজপুর আনার পর ওখানে ধস্তাধস্তি হইছে। একবার মোরা কবর খুঁড়ছি সেই কবর লোকজনে আবার ভরাট করে ফেলছে। আবার মোরা কবর খুঁড়ছি এবং পুলিশ লাশ আনার পর মোরাই মাডি দিছি। কোনো পুরুষ মানুষ আয় নাই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পিরোজপুর সদর উপজেলা, শংকরপাশা ইউনিয়ন, চিতলিয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মানিক পশারী (৮৭), মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী, আব্দুর রাজ্জাক, মো. শরিফুল ইসলাম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৭ বছর বয়স, ৭নং ওয়ার্ড, ১৭ ঘণ্টা, ২ টা, ১০ টা, ১২ টা, ৫ টা, ১ টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!