📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মন্দিরের সোনা চুরির চক্র: স্বামী-স্ত্রী জোড়া ধরা পড়ে, ৮০ হাজার টাকার সোনা উদ্ধার

মন্দিরের সোনা চুরির চক্র: স্বামী-স্ত্রী জোড়া ধরা পড়ে, ৮০ হাজার টাকার সোনা উদ্ধার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজধানীর মন্দিরে সোনা চুরির একটি জালিয়াতি চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন স্বামী-স্ত্রী জোড়া অর্ণব রায় ও লিপি কর্মকার। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে ৮০ হাজার টাকার সোনা উদ্ধার করেছে। নারায়ণগঞ্জের দেওভোগেও তাদের চুরির চেষ্টা ছিল

রাজধানীর বিভিন্ন মন্দিরে সোনা চুরির একটি জালিয়াতি চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন স্বামী-স্ত্রী জোড়া অর্ণব রায় ও লিপি কর্মকার। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে মন্দির থেকে চুরি করা সোনার পাত উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশের সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মন্দিরে সোনা চুরির চক্র: স্বামী-স্ত্রী জোড়া অর্ণব রায় ও লিপি কর্মকারের নেতৃত্বে মন্দিরে সোনা চুরির ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে ৮০ হাজার টাকার সোনা উদ্ধার করেছে।
  • 📌 রমনা কালীমন্দিরের সোনা চুরি: ৭ অক্টোবর রমনা কালীমন্দিরের মা কালীর বিগ্রহের জিবে রাখা ছয় আনা ওজনের সোনা চুরি হয়।
  • 📌 সোনার পাত উদ্ধার: দক্ষিণখান এলাকার সাদিয়া জুয়েলার্সের মালিক মো. মুহিনকে গ্রেপ্তার করে তাঁর কাছ থেকে দুই আনা এক রতি ওজনের সোনার পাত উদ্ধার করা হয়।
  • 📌 সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরের চুরি: ১৩ সেপ্টেম্বর সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরের সোনা চুরিতেও অর্ণব ও লিপির জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।
  • 📌 নারায়ণগঞ্জের চুরির চেষ্টা: ১১ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের দেওভোগে মন্দিরের বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর গলার সোনার চেইন চুরির চেষ্টা করে পালানোর সময় ধরা পড়ে অর্ণব।

📰 বিস্তারিত

রাজধানীর মন্দিরে সোনা চুরির একটি জালিয়াতি চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন স্বামী-স্ত্রী জোড়া অর্ণব রায় ও লিপি কর্মকার। পুলিশের তথ্য মতে, রমনা কালীমন্দির ছাড়াও আরও দুই মন্দিরের সোনা চুরির সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর রমনা কালীমন্দিরের মা কালীর বিগ্রহের জিবে রাখা ছয় আনা ওজনের সোনা চুরি হয়। সোনার মূল্য আনুমানিক ৮০ হাজার টাকা। এই ঘটনায় মন্দিরের পুরোহিত সুজিত চক্রবর্তী শাহবাগ থানায় অভিযোগ করেন। পরে মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ অর্ণব ও লিপিকে শনাক্ত করে উত্তরখান থানার দোবাদিয়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেন।

গ্রেপ্তারের পর দুজনকে আদালতে পাঠানো হলে তারা দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণখান এলাকার সাদিয়া জুয়েলার্সের মালিক মো. মুহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে দুই আনা এক রতি ওজনের সোনার পাত উদ্ধার করা হয়, যা রমনা কালীমন্দির থেকে চুরি করা সোনার অংশ।

সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরের সোনা চুরিতেও অর্ণব ও লিপির জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। ১৩ সেপ্টেম্বর সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দিরে সোনা চুরির ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধেশ্বরী মন্দির থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে। এই দম্পতি চুরিত স্বর্ণালংকারটি জাকারিয়া ইসলাম নামের এক জুয়েলারি দোকানির কাছে বিক্রি করেছিলেন, যাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের দেওভোগে ১১ সেপ্টেম্বর একটি মন্দিরে বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর গলার সোনার চেইন চুরির চেষ্টা করে পালানোর সময় মন্দিরের পুরোহিত তাঁকে ধরে ফেলেন। পরে মন্দির কমিটির সদস্যরা তাঁকে ছেড়ে দেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তিনটি ঘটনায় অর্ণব ও লিপির সম্পৃক্ততার কথা বলছে। তারা বিভিন্ন মন্দিরে ঘুরে ঘুরে চুরি করতেন।

"এই দম্পতির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তিনটি ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততার কথা বলছে। তারা বিভিন্ন মন্দিরে ঘুরে ঘুরে চুরি করতেন।" — ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার ফারুক হোসেন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানী (রমনা কালীমন্দির, সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ), দক্ষিণখান এলাকা, উত্তরখান থানার দোবাদিয়া এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্ণব রায়, লিপি কর্মকার, মো. মুহিন, সুজিত চক্রবর্তী, জাকারিয়া ইসলাম, ফারুক হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর, ৮০ হাজার টাকা, ১৩ সেপ্টেম্বর, ১১ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖