📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মদন উপজেলায় স্কুল রক্ষা প্রকল্পে চুরি-লুটপাট: ঠিকাদার ও কর্মকর্তা জড়িত অনিয়মের অভিযোগ

মদন উপজেলায় স্কুল রক্ষা প্রকল্পে চুরি-লুটপাট: ঠিকাদার ও কর্মকর্তা জড়িত অনিয়মের অভিযোগ

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোনার মদন উপজেলার বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নদী ভাঙন রোধ প্রকল্পে ১৯ লাখ টাকার চুরি-লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমানের জড়িত থাকার দাবি করা হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রকল্পের বাস্তবায়নে শুকনো বালু পরিবর্তে ভেজা বালু ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রাক্কলন মেনে কাজ করা হয়নি

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নদী ভাঙন রোধ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও চুরি-লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, প্রকল্পের ১৯ লাখ ৮২ হাজার ২৮২ টাকার বাস্তবায়নে ঠিকাদার ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমানের জড়িত থাকার পাশাপাশি প্রকল্পের বাস্তবায়নে শুকনো বালু পরিবর্তে ভেজা বালু ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রাক্কলন মেনে কাজ করা হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০ সেপ্টেম্বর হোসাইন কবির জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে ঠিকাদার ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন
  • 📌 ১৯ লাখ ৮২ হাজার ২৮২ টাকা ব্যয়ে ৮০ মিটার অংশে জরুরি ভাঙন রোধ প্রকল্পে শুকনো বালু পরিবর্তে ভেজা বালু ব্যবহার করা হয়েছে
  • 📌 ৩৯টি ব্যারাক বাঁশের পাইলিং ও ৩ হাজার ১২৫টি জিও-ব্যাগ প্রাক্কলন অনুযায়ী দেওয়া হয়নি, পরিবর্তে মেহগনি গাছের ডাল ব্যবহার করা হয়েছে
  • 📌 পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন ফোনে যোগাযোগ না করায় স্থানীয়রা অসন্তুষ্ট
  • 📌 বাগজান গ্রামের ইউপি সদস্য আব্দুল্লাহ বলেন, জিও-ব্যাগে ভেজা বালু দেওয়া হয়েছে, কিন্তু এস্টিমেট সম্পর্কে তিনি জানেন না

📰 বিস্তারিত

মগড়া নদীর ভাঙন থেকে বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রক্ষায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১৯ লাখ ৮২ হাজার ২৮২ টাকা ব্যয়ে ৮০ মিটার অংশে জরুরি ভাঙন রোধ প্রকল্পের কাজ দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পে ১২ মিটার লম্বা ১৩টি শক্ত কাঠের বল্লা, ৩৯টি ব্যারাক বাঁশের পাইলিং, ওয়ালিং পিস ২০ মি.মি. নাট-বল্টু দিয়ে আটকানো, ৩ হাজার ১২৫টি জিও-ব্যাগ ডাম্পিং এবং ১ হাজার ২১০টি শুকনো বালুর জিও-ব্যাগ প্লেসিং করার কথা ছিল। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে শুকনো বালু পরিবর্তে ভেজা বালু ব্যবহার করা হয়েছে এবং মেহগনি গাছের ডাল ব্যবহার করা হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্প তদারকি কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমানের যোগসাজশে ঠিকাদার ইচ্ছামতো কাজ করেছেন। স্থানীয়রা জানান, কাজ চলাকালীন অনিয়মের অভিযোগ তুলে বাগজান গ্রামের সচেতন মহল স্থানীয় ইউপি সদস্যকে নিয়ে একবার কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে প্রাক্কলন গোপন রেখে এলাকাবাসীকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ঠিকাদার নিজের মতো করে কাজ শেষ করেছেন। বুধবার ৭ অক্টোবর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী ভাঙন রোধ প্রকল্পের কাজ ঠিকাদার ইতোমধ্যে শেষ করেছেন।

বাগজান গ্রামের আশরাফুল ইসলাম আকন্দ বলেন, “স্কুল রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প দেওয়ার খবর শুনে খুব খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু ঠিকাদার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং স্কুল কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে মনমতো কাজ শুরু করায় হতাশ হয়েছি। প্রাক্কলন সম্পর্কে কাউকে কিছু জানতে দেওয়া হয়নি। আমরা চাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করবেন। অনিয়ম প্রমাণিত হলে ঠিকাদারকে শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।”

অভিযোগকারী হোসাইন কবির বলেন, “বাগজান স্কুল রক্ষা প্রকল্পে অনিয়ম বললে ভুল হবে, এখানে এক কথায় সাগর চুরি হয়েছে। এই লুটপাটের কাজে ঠিকাদারকে টাকার বিনিময়ে সহযোগিতা করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান। আশা করি কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।”

"কাজে কী করা হয়েছে তা এখন আর বলার অপেক্ষা রাখে না। পানি শুকানোয় পুরো চিত্রটাই এখন দেখা যাচ্ছে। এভাবেই দেশের টাকা লুটপাট করা হয়, এই কাজটি দেখলেই তা বোঝা যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মদন উপজেলা, নেত্রকোনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হোসাইন কবির, মুস্তাফিজুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম আকন্দ, আব্দুল্লাহ (ইউপি সদস্য)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ লাখ ৮২ হাজার ২৮২ টাকা, ৮০ মিটার, ৩৯টি পাইলিং, ৩ হাজার ১২৫টি জিও-ব্যাগ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖