📌 লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার একটি মাদ্রাসায় একটি ৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে দীর্ঘদিন ধরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিমকে পুলিশ আটক করেছে। অভিযুক্তের পিতা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক, তার ছেলে মোহাম্মদ পলাতক রয়েছে
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার একটি মাদ্রাসায় একটি ৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে দীর্ঘদিন ধরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিমকে পুলিশ আটক করেছে। অভিযোগে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের ছেলে মোহাম্মদও জড়িত থাকার সন্দেহে পলাতক রয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভুক্তভোগীর মা অভিযোগ দায়ের করে মামলা করে, এরপরই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার গন্ধব্যপুর এলাকার এহ্ইয়াউল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার একটি শিক্ষার্থীকে দীর্ঘদিন ধরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিমকে পুলিশ আটক করেছে।
- 📌 অভিযুক্তের পিতা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক এবং তার ছেলে মোহাম্মদ পলাতক রয়েছে।
- 📌 ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. নোমান (৯) কোরআনের চার পারা হিফজ সম্পন্ন করেছেন, কিন্তু অভিযোগে তার মা অভিযোগ দায়ের করেছেন।
- 📌 অভিযোগ অনুযায়ী, শিক্ষার্থীকে দীর্ঘদিন ধরে পালাক্রমে নিপীড়ন করা হয়েছে।
- 📌 অভিযোগের পর চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি আবদুর রব অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের গন্ধব্যপুর এলাকার এহ্ইয়াউল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসায় একটি শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. নোমান (৯) কোরআনের হাফিজ হওয়ার উদ্দেশ্যে মাদ্রাসার আবাসিক বিভাগে ভর্তি ছিলেন। তবে তার মা জানান, মাওলানা ইব্রাহিম এবং তার পিতা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের ছেলে মোহাম্মদ তার ছেলেকে দীর্ঘদিন ধরে নিপীড়ন করছিলেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে মাদ্রাসা থেকে মাওলানা ইব্রাহিমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগীর মা জানান, তার ছেলে কোরআনের চার পারা হিফজ সম্পন্ন করেছেন, কিন্তু নিপীড়নের অভিযোগে তিনি মামলা করেছেন। তিনি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব জানান, যৌন-নিপীড়নের অভিযোগে ভুক্তভোগীর মা বাদি হয়ে মামলা করেছেন। এরপর অভিযুক্ত মাওলানা ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে অভিযুক্তের পিতা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক এবং তার ছেলে মোহাম্মদ পলাতক রয়েছে। পুলিশ তাদের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।
"আমি আমার ছেলেকে পবিত্র কোরআনের হাফিজ বানানোর উদ্দেশ্যে মাদ্রাসাটিতে ভর্তি করেছিলাম। কিন্তু তারা তাকে নিপীড়ন করছিল। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা, লক্ষ্মীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাওলানা ইব্রাহিম (শিক্ষক), মোহাম্মদ (পলাতক), মো. নোমান (৯ বছর, শিক্ষার্থী), আবদুর রব (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ বছর (শিক্ষার্থীর বয়স), ২৪ অক্টোবর (অভিযোগের তারিখ), ৪ টা (গ্রেপ্তারের সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!