📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

লক্ষ্মীপুরের মাদ্রাসায় শিশুদের নির্যাতন: ফেসবুকে ভাইরাল ভিডিওতে শিকল ও চড়-থাপ্পড়ের চিত্র

লক্ষ্মীপুরের মাদ্রাসায় শিশুদের নির্যাতন: ফেসবুকে ভাইরাল ভিডিওতে শিকল ও চড়-থাপ্পড়ের চিত্র

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 লক্ষ্মীপুরের আলেকজান্ডার মাদ্রাসায় শিশুদের নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় কোরআন পাঠ ও মারধর সহ নির্যাতনের চিত্র ধারণ করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক হাবিব উল্লাহ স্বীকার করেছেন ঘটনাটি, কিন্তু অভিভাবকরা মামলা করতে অস্বীকার করেছেন।

লক্ষ্মীপুরের রামগতি পৌরসভার একটি ইসলামী প্রতিষ্ঠানে শিশুদের নির্যাতনের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। ছয় থেকে সাত বছর বয়সী শিশুদের পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় কোরআন পাঠ করা, চড়-থাপ্পড় ও স্টিলের স্কেল দিয়ে আঘাত দেওয়ার চিত্র ধারণ করা হয়েছে। এসব ভিডিও প্রতিষ্ঠানটির সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে এবং গতকাল শনিবার রাত থেকে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 লক্ষ্মীপুরের আলেকজান্ডার মাদ্রাসায় শিশুদের নির্যাতনের ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নাম বাবুত তাকওয়া।
  • 📌 ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এই প্রতিষ্ঠানে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে।
  • 📌 ভিডিওতে দেখা যায়, শিশুদের পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় কোরআন পাঠ করা এবং মাথায় চড়-থাপ্পড় দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 প্রধান শিক্ষক হাবিব উল্লাহ এবং আরেকজন শিক্ষককে শিশুদের মারধর করতে দেখা গেছে। হাবিব উল্লাহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রামগতি শাখার সভাপতিও।
  • 📌 শিশুদের অভিভাবকরা মামলা করার পরিবর্তে অভিভাবক-প্রতিষ্ঠান বৈঠকে সমাধান চেয়েছেন।
  • 📌 রামগতি থানার ওসি লিটন দেওয়ান বলেছেন, ঘটনাটি চরম নিষ্ঠুর এবং মামলা ছাড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব নয়।

📰 বিস্তারিত

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ছবি দুটিতে দেখা যায়, মাথায় সাদা টুপি পরা ছয়-সাত বছর বয়সী শিশুদের পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় মেঝেতে দাঁড়িয়ে কান্না করছে। একটি ছবিতে একটি শিশু পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় পবিত্র কোরআন পাঠ করছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কক্ষের দরজা বন্ধ করে এক শিশুশিক্ষার্থীকে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড় দেওয়া হয়েছে। পরে স্টিলের স্কেল দিয়ে শিশুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়েছে। অন্য একটি ভিডিওতে এক শিশুকে দেয়ালের সঙ্গে চেপে ধরে মাথায় উপর্যুপরি চড়-থাপ্পড় দেওয়া হয়েছে। আরেকটি ভিডিওতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে একসঙ্গে মারধর করতে দেখা গেছে।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, মাদ্রাসাটিতে শিশুশিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রায়ই অমানবিক আচরণ করা হয়। তবে শিশুরা বাড়িতে ফিরে এসব ঘটনা অভিভাবকদের জানাত না। ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর নির্যাতনের বিষয়টি সামনে আসে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, ভিডিওগুলো প্রায় এক মাস আগের। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মাওলানা হাবিব উল্লাহ স্বীকার করেছেন, “বিষয়টি আসলে ভুল হয়ে গেছে। ঘটনাটি নিয়ে প্রশাসন থেকেও আমাদের সতর্ক করা হয়েছে। এটি নিয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। অভিভাবকেরা বলেছেন, ভবিষ্যতে এমনটি যেন আর না হয়। ওই শিক্ষার্থীরা এখন মাদ্রাসায় রয়েছে।”

রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেছেন, “ঘটনাটি চরম নিষ্ঠুর। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা হাবিব উল্লাহ এ নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত। নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিশুদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। অভিভাবকদের মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁরা কেউ মামলা করতে রাজি হননি। মামলা ছাড়া এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব নয়।”

"মাদ্রাসায় কোমলমতি শিশুদের শিকলে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও অমানবিক। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষালাভের কথা, সেখানে তাদের ওপর এমন নির্যাতন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।"

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) লক্ষ্মীপুর শাখার সভাপতি কামাল হোসেন বলেছেন, “এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লক্ষ্মীপুর জেলা, রামগতি পৌরসভা, আলেকজান্ডার মাদ্রাসা (৬ নম্বর ওয়ার্ড)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাবিব উল্লাহ (প্রধান শিক্ষক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতি), লিটন দেওয়ান (ওসি), কামাল হোসেন (সুজন লক্ষ্মীপুর সভাপতি)
  • 📍 প্রতিষ্ঠান: বাবুত তাকওয়া (মাদ্রাসা)
  • 📌 শিক্ষার্থী সংখ্যা: দেড় শতাধিক
  • 📌 জড়িত শিক্ষক: হাবিব উল্লাহ (প্রধান শিক্ষক) + আরেকজন (নাম প্রকাশিত নয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖