📌 কুয়াকাটায় সেনা কর্মকর্তা সেজে তরুণী নিয়ে হোটেলে যাওয়ার অভিযোগে আব্দুল জলিল (২২)কে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক এবং মহিপুর থানার পুলিশের এসআই মাসুদের নেতৃত্বে পুলিশ দল
কুয়াকাটায় নিজেকে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিয়ে তরুণী নিয়ে হোটেলে যাওয়ার অভিযোগে আব্দুল জলিল (২২)কে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) কুয়াকাটার একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আদালত তাকে দণ্ড দেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুয়াকাটার হোটেল মারওয়াতে আব্দুল জলিল (২২) নিজেকে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিয়ে হীরা আক্তার (১৬) নামের কিশোরীকে নিয়ে অবস্থান করছিলেন। তার স্ত্রী মোসা. তামান্না (২০)ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
- 📌 অভিযান পরিচালনা করেন কলাপাড়ার সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক। পুলিশের নেতৃত্বে ছিলেন মহিপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদের।
- 📌 ভুক্তভোগী হীরা আক্তার ও তার বাবা মনির খান সাক্ষ্য দেন। আব্দুল জলিল স্বীকার করেন, তিনি সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করছিলেন।
- 📌 দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৭০ ধারায় তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নিজেকে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিয়ে তরুণী নিয়ে হোটেলে যাওয়ার অভিযোগে আব্দুল জলিল (২২)কে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) কুয়াকাটার হোটেল মারওয়াতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন কলাপাড়ার সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক। পুলিশের নেতৃত্বে ছিলেন মহিপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদের।
অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হোটেল মারওয়াতে আব্দুল জলিল নিজেকে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে হীরা আক্তার (১৬) নামের কিশোরীকে নিয়ে অবস্থান করছিলেন। ঘটনাস্থলে তার স্ত্রী মোসা. তামান্না (২০)ও উপস্থিত ছিলেন। পরে বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে ভুক্তভোগী হীরা আক্তার ও তার বাবা মনির খান সাক্ষ্য দেন। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আব্দুল জলিল স্বীকার করেন, তিনি সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে এমন প্রতারণা করে আসছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগেও একই ধরনের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক জানান, সরকারি কর্মকর্তা না হয়েও নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। এ অপরাধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৭০ ধারায় আব্দুল জলিলকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
"সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের ঘটনা বন্ধ করতে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় না দিয়ে অন্য কারো পরিচয় দেবেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুয়াকাটা, পটুয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল জলিল (২২), হীরা আক্তার (১৬), মনির খান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক, এসআই মাসুদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ বছর কারাদণ্ড, ১৭০ ধারা, ২২ বছর বয়স, ১৬ বছর বয়স, ২০ বছর বয়স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!