📌 কুষ্টিয়ার সদর উপজেলায় ৬৫ বছর বয়সী নুর জাহান বেগমকে পুলিশের হাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি মামলা করার পর থেকে হুমকির শিকার ছিলেন। পরিবার জানতে পারেননি তাঁকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে
কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের নলকুলা গ্রামে ৬৫ বছর বয়সী নুর জাহান বেগমকে পুলিশের হাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সকাল সাড়ে সাতটায় তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবার জানতে পারেননি তাঁকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬৫ বছর বয়সী নুর জাহান বেগমকে সকাল সাড়ে সাতটায় পুলিশের হাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
- 📌 পুলিশ তাঁকে বলেছিল, “আপনি মামলার বাদী, ওসি স্যার কথা বলবেন, গাড়িতে ওঠেন”।
- 📌 নুর জাহান বেগমের মেয়ে সেলিনা আক্তার জানান, মামলা করার পর থেকে তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।
- 📌 ২১ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া আদালতে তিনি মামলা করেন। ওই মামলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও কৃষক দলের ২২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 পুলিশের মুখপাত্র জানান, বিষয়টি জানা নেই।
📰 বিস্তারিত
সপ্তাহ দুয়েক আগে নুর জাহান বেগমের বাড়ি ও গুদামে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট হয়। পরে কৃষক দলের কার্যালয় ভাঙচুর করে এলাকার আরও কয়েকজনের বাড়িঘরে হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় বিএনপির পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কিছু লোক জড়িত বলে অভিযোগ করা হয়। নুর জাহান বেগম এই ঘটনায় বাদী হয়ে ২১ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া আদালতে মামলা করেন। মামলাটি পিবিআইকে তদন্ত করতে দিয়েছেন আদালত।
সেলিনা আক্তার জানান, “মামলা করার পর থেকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। আজ সকালে মা বাড়িতে কাজ করছিলেন। সাড়ে সাতটার দিকে দুটি গাড়িতে করে পুলিশের একটি দল আসে। বাড়ির ভেতর তিনজন নারী পুলিশ সদস্যসহ পুরুষ পুলিশ প্রবেশ করেন। তাঁরা মাকে বলেন, ‘আপনি মামলার বাদী, ওসি স্যার কথা বলবেন, গাড়িতে ওঠেন’। এরপর তাঁকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। এখন কোথায় তাঁকে রাখা হয়েছে, আমি জানি না। বাড়িতে ১৫ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী একটি মেয়ে আছে আমার। তাকে রেখে মাকে কোথাও খুঁজতেও পারছি না।’
নুর জাহানের পরিবার জানায়, নিজের বাড়ি ও গুদামে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ছয় দিন আগে আদালতে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও কৃষক দলের ২২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। কয়েক দিন ধরে স্থানীয় বিএনপি নেতারা মামলাটি তুলে নিতে চাপ দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মামুনুর রশীদ জানান, “আমি ব্যস্ত আছি, বাইরে আছি। একটি মার্ডার মামলা নিয়ে অভিযানে আছি। থানায় গিয়ে খোঁজ নিয়ে পরে বলতে পারব।’ কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) ফয়সাল মাহমুদ জানান, ‘বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে জানাচ্ছি।’
"আপনি মামলার বাদী, ওসি স্যার কথা বলবেন, গাড়িতে ওঠেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুষ্টিয়া জেলা, সদর উপজেলা, পাটিকাবাড়ি ইউনিয়ন, নলকুলা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুর জাহান বেগম (৬৫), সেলিনা আক্তার, ওসি এস এম মামুনুর রশীদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫ বছর, ৭:৩০ টা, ১১:৩০ টা, ২১ সেপ্টেম্বর, ১৫ বছর, ২২ জন, ১৫-৩০ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!