📌 কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কর্মসূচিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির সময় তিন সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করা হয়। তাদের মধ্যে দুজনকে ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনায় সাংবাদিকদের ক্ষোভ প্রকাশিত হয়েছে
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কর্মসূচিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে তিন সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করা হয়। এ সময় তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। বুধবার দুপুরে কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা এলাকায় এই ঘটনা সংঘটিত হয়। প্রতিমন্ত্রী শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত ও সেতু নির্মাণ পরিদর্শনের পর ঘটনাটি ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমারখালীতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কর্মসূচিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির সময় তিন সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করা হয়
- 📌 স্টার নিউজের জহুরুল ইসলাম ও মোহনা টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান মোমিন ইসলামকে মারধর করা হয় এবং তাদের ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়
- 📌 সমকালের নয়নকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়
- 📌 জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির হোসেন রাব্বির হস্তক্ষেপে ফোন ফেরত দেওয়া হয়
- 📌 ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয়
📰 বিস্তারিত
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কর্মসূচির সময় ঘটনাটি সংঘটিত হয়। প্রতিমন্ত্রী শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত শেষে গড়াই নদের ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেন। কবর জিয়ারত শেষে প্রতিমন্ত্রী গাড়িতে ওঠার সময় অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় স্টার নিউজের জহুরুল ইসলাম ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। তাঁকে মারধর ও গালিগালাজ করার পাশাপাশি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
জহুরুল ইসলামের ওপর হামলার দৃশ্য ধারণ করতে গেলে মোহনা টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান মোমিন ইসলামকেও মারধর করা হয়। তাঁর মাথায় আঘাত করা এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া সমকালের নয়নকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির হোসেন রাব্বির হস্তক্ষেপে সাংবাদিকদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া দুটি ফোন ফেরত দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী গাড়িতে ওঠার পরপরই ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। আমি ভিডিও করায় তারা চড়াও হয়ে মারধর করে এবং ফোন ছিনিয়ে নেয়।’ ক্যামেরাম্যান মোমিন ইসলাম বলেন, ‘জহুরুল ইসলামের ওপর হামলার দৃশ্য ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলের কর্মীরা আমার মাথায় আঘাত করেন এবং মুঠোফোন কেড়ে নেন।’
"কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বশীল কর্মসূচিতে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা নজিরবিহীন। অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।"
চ্যানেল ২৪-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক শরীফ বিশ্বাসের এই প্রতিবাদ জানান। ঘটনায় কুষ্টিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, ‘ছাত্রদলের নিজেদের মধ্যে একটু হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করা ও ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জহুরুল ইসলাম, মোমিন ইসলাম, নয়ন, মোজাক্কির হোসেন রাব্বি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন সাংবাদিক, ২৪ চ্যানেল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!