📌 কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ৯ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্রীকে শিক্ষক যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। মীমাংসা চেষ্টা করা হলেও শিশুর মা রাজি হননি এবং পরে থানায় অভিযোগ দিলে শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় একটি মাদ্রাসা শিক্ষককে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত ১৪ অক্টোবর মাদ্রাসায় অতিরিক্ত ক্লাস চলাকালীন। অভিযোগে জড়িত শিক্ষক সাঈদ হোসেন ওরফে নান্নু (৪২) বর্তমানে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্রীকে শিক্ষক সাঈদ হোসেন (৪২) যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 ১৪ অক্টোবর বেলা ২টার দিকে মাদ্রাসার অফিসকক্ষে শিশুটিকে জোরপূর্বক আটকে রাখা হয় এবং যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করা হয়।
- 📌 শিশুর সহপাঠীরা ও স্থানীয় নারীরা ঘটনার কথা শুনে উপস্থিত হন এবং শিক্ষক পালিয়ে যান।
- 📌 মা মীমাংসা প্রত্যাখ্যান করলেও পরে ২০ অক্টোবর দৌলতপুর থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষক প্রাগপুর ইউনিয়নের পাকুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং দারুল আবরার মাদ্রাসার শিক্ষক।
📰 বিস্তারিত
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের পাকুড়িয়া গ্রামের দারুল আবরার মাদ্রাসায় ৯ বছর বয়সী একটি ছাত্রীকে শিক্ষক সাঈদ হোসেন ওরফে নান্নু (৪২) যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত ১৪ অক্টোবর বেলা ২টার দিকে। মাদ্রাসায় একটি প্রতিযোগিতা উপলক্ষে অতিরিক্ত ক্লাস চলছিল। অন্য শিক্ষার্থীরা চলে যাওয়ার পর শিক্ষক শিশুটিকে মাদ্রাসার অফিসকক্ষে ডেকে নিয়ে দরজার ছিটকিনি লাগিয়ে দেন। পরে তিনি শিশুটিকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি ও যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিশুর চিৎকার শুনে তার সহপাঠীরা ও স্থানীয় কয়েকজন নারী এগিয়ে আসেন। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে শিক্ষক জুব্বা ও পায়জামা হাতে নিয়ে অফিসকক্ষ থেকে পালিয়ে যান। পরে শিশুটি উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে ঘটনার বিবরণ দেয়। স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। তবে শিশুর মা মীমাংসা চেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেন। পরে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তিনি দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, একটি প্রতিযোগিতা উপলক্ষে মাদ্রাসায় অতিরিক্ত ক্লাস চলছিল। অন্য শিক্ষার্থীরা চলে যাওয়ার পর ওই শিশুকে আটকে রেখে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। পরে শিশুটির মা থানায় অভিযোগ দিলে মামলা নথিভুক্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি আরও জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
"অতিরিক্ত ক্লাস চলাকালীন অন্য শিক্ষার্থীরা চলে যাওয়ার পর ওই শিশুকে আটকে রেখে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে শিক্ষকের বিরুদ্ধে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা, প্রাগপুর ইউনিয়ন, পাকুড়িয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাঈদ হোসেন ওরফে নান্নু (৪২), খালেদুর রহমান (ওসি), শিশু মাদ্রাসা ছাত্রী (৯ বছর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪২ বছর (শিক্ষকের বয়স), ৯ বছর (শিশুর বয়স), ১৪ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ২ টা (ঘটনার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!