📌 কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মারকাজুল সুন্নাহ মাদরাসায় ১৩ বছর বয়সী ছাত্রের বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আশিকুল্লাহকে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ ও পুলিশের গাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা মাদরাসা ঘেরাও করে রাখে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় মারকাজুল সুন্নাহ মাদরাসায় ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রের বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আশিকুল্লাহকে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ ও পুলিশের গাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা মাদরাসা ঘেরাও করে রাখার পর পুলিশ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে থানায় নিয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মারকাজুল সুন্নাহ মাদরাসায় ১৩ বছর বয়সী ছাত্রের বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আশিকুল্লাহকে পুলিশ আটক করেছে
- 📌 অভিযোগ: শিক্ষক কোরআন শিক্ষার নামে ছাত্রকে নিজ কক্ষে নিয়ে যৌন নির্যাতন করেন এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানাতে ভয় দেখান
- 📌 ঘটনাস্থলে বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা মাদরাসা ঘেরাও করে রাখে এবং পুলিশের গাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে
- 📌 পুলিশ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে খলিশাকুণ্ডি ইউনিয়নের দৌলতপুর থানায় নিয়ে যায়
- 📌 খলিশাকুণ্ডি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুল্মত হোসেন বলেছেন, মাদরাসায় শিক্ষক বলাৎকার করেছে এবং এলাকাবাসীরা ঘটনাটি জানার পর মাদরাসা ঘেরাও করে রাখে
- 📌 দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষককে অবরুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে খলিশাকুণ্ডি ইউনিয়নের মালিথাপাড়া এলাকার মারকাজুল সুন্নাহ মাদরাসায় ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, শিক্ষক আশিকুল্লাহ কোরআন শিক্ষার কথা বলে ছাত্রকে নিজ কক্ষে নিয়ে যৌন নির্যাতন করেন। ছাত্রটি পরে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানালে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা মাদরাসাটি ঘেরাও করে রাখেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করার চেষ্টা করলে উত্তেজিত জনতা পুলিশের টহল পিকআপ লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে দৌলতপুর থানায় নিয়ে যায়। খলিশাকুণ্ডি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুল্মত হোসেন বলেন, ‘মাদরাসায় বলাৎকার করেছে মাদরাসার শিক্ষক। এই ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসী মাদরাসা ঘেরাও করে রাখে। পুলিশ গিয়ে মাদরাসা শিক্ষককে থানায় নিয়ে আসে।’
দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, ‘বলাৎকারের অভিযোগে এক মাদরাসা শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে শিক্ষককে অবরুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
"মাদরাসায় বলাৎকার করেছে মাদরাসার শিক্ষক। এই ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসী মাদরাসা ঘেরাও করে রাখে। পুলিশ গিয়ে মাদরাসা শিক্ষককে থানায় নিয়ে আসে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মারকাজুল সুন্নাহ মাদরাসা, মালিথাপাড়া এলাকা, খলিশাকুণ্ডি ইউনিয়ন, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষক আশিকুল্লাহ, জুল্মত হোসেন (চেয়ারম্যান), খালেদুর রহমান (ওসি), ১৩ বছর বয়সী ছাত্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর (ছাত্রের বয়স), ৮ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!