📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুষ্টিয়ায় জুলাই আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডে হানিফসহ চার নেতাকে মানবতাবিরোধী মামলায় রায় ঘোষণা হতে পারে

কুষ্টিয়ায় জুলাই আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডে হানিফসহ চার নেতাকে মানবতাবিরোধী মামলায় রায় ঘোষণা হতে পারে

📷 ছবি: বিডিনিউজ২৪

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BDNews24 ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুষ্টিয়ায় জুলাই আন্দোলনের সময় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় আওয়ামী লীগের চার নেতা (হানিফসহ) বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলায় ট্রাইব্যুনাল-২ যুক্তিতর্ক শেষ করেছে। রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে

কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় আওয়ামী লীগের চার নেতা (হানিফসহ) বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ যুক্তিতর্ক শেষ করেছে। যে কোনো দিন রায় ঘোষণা করতে পারে ট্রাইব্যুনাল। বুধবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কুষ্টিয়ায় জুলাই আন্দোলনে ৬ জনের হত্যাকাণ্ডে হানিফসহ চার নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলায় রায় ঘোষণা হতে পারে
  • 📌 আসামিরা পলাতক থাকায় স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আমির হোসেন যুক্তি উপস্থাপন করেছেন
  • 📌 মামলায় অভিযোগ: হানিফ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন এবং অধীনস্তদের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করেছিলেন
  • 📌 প্রসিকিউশন দাবি: হানিফ ওবায়দুল কাদেরের প্রত্যেক বৈঠকে উপস্থিত থেকে সমর্থন জানিয়েছিলেন এবং হত্যাযজ্ঞের নির্দেশ দিয়েছিলেন
  • 📌 মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে

📰 বিস্তারিত

গত ২ নভেম্বর ২০২৫ সালে ট্রাইব্যুনাল-২ হানিফসহ চার আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরু করার আদেশ দিয়েছিল। এই চার আসামির মধ্যে রয়েছে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সদর উদ্দিন খান, জেলা সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং সাবেক সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা।

৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে। প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, “আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাহবুব-উল আলম হানিফ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলন দমনে সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন এবং অধীনস্তদের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করেছিলেন। তিনি সিভিলিয়ান লিডার ছিলেন। অধীনদের নির্দেশ বা টেলিফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে এসব বাস্তবায়ন করেছেন।”

প্রসিকিউশনের দাবি, হানিফ ওবায়দুল কাদেরের প্রত্যেক বৈঠকে উপস্থিত থেকে সমর্থন জানিয়েছিলেন এবং টেলিফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার, জেলা-উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। এসব কথোপকথনের রেকর্ড ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়েছে।

"আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাহবুব-উল আলম হানিফ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলন দমনে সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন এবং অধীনস্তদের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করেছিলেন। তিনি সিভিলিয়ান লিডার ছিলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুষ্টিয়া জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুব-উল আলম হানিফ, সদর উদ্দিন খান, আজগর আলী, আতাউর রহমান আতা, বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন হত্যা, ৪ জন আসামি, ১৯ জন সাক্ষী, ২ নভেম্বর ২০২৫ (বিচার শুরু), ৫ অক্টোবর ২০২৬ (রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক শেষ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖