📌 কুষ্টিয়া জেলায় ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তারা দুই যুবককে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করার নাটক সাজিয়েছে। পরিবার জানায়, বাজারে অস্ত্র দেখানো হয়নি এবং গ্রেপ্তার সময় তাদের কাছে অস্ত্র ছিল না। পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগ উঠেছে
কুষ্টিয়া জেলার ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অস্ত্র মামলায় অভিযোগ উঠেছে। বুধবার কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের এম এ রাজ্জাক মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে দুই যুবকের পরিবার এই অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা দাবি করেন, পুলিশ তাদেরকে বাজারে তুলে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের নাটক সাজিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার শালঘর মধুয়া গ্রামের আরিফুল ইসলাম (২৮) ও সদর উপজেলার দুর্বাচারা গ্রামের আব্দুল্লাহ (২৮)কে ডিবি পুলিশ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করার অভিযোগে অভিযুক্ত
- 📌 অভিযোগ: বাজারে শতাধিক লোকের সামনে তাদেরকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু তাদের কাছে কোনো অস্ত্র ছিল না
- 📌 অভিযোগ: চরমপন্থী জাহাঙ্গীর কবির ওরফে লিপ্টন ও টাইগার মামুনের ইন্ধনে এই মামলা সাজানো হয়েছে
- 📌 পুলিশের দাবি: গ্রেপ্তার করা হয়েছে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, পরিবারের দাবি মিথ্যা
📰 বিস্তারিত
বুধবার বিকেলে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের এম এ রাজ্জাক মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে আরিফুল ইসলামের ভাগনি ইতি খাতুন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন আরিফুলের স্ত্রী বেবি খাতুন, আব্দুল্লাহর স্ত্রী মিথিলা ফারজানা ও আব্দুল্লাহর মা সাহেদা খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলার দুর্বাচারা বাজারে শতাধিক মানুষের সামনে আব্দুল্লাহকে তুলে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ। একইভাবে আরিফুল ইসলামকেও আটক করা হয়। তবে আটকের সময় তাদের কাছে কোনো অস্ত্র ছিল না। বাজারে উপস্থিত লোকজনের সামনে পুলিশ কোনো অস্ত্র দেখাতে পারেনি। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, লিপ্টন ও টাইগার মামুনের ইন্ধনে এই মামলা সাজানো হয়েছে। তারা প্রশাসনকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করা হয়।
আব্দুল্লাহর স্ত্রী মিথিলা ফারজানা প্রথম আলোকে বলেন, বুধবার বিকেলে তাঁর স্বামীসহ আরিফুলকে আদালতে তোলা হয়। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। আদালতে তাঁদের সঙ্গে দেখা হয়েছে বলে তিনি জানান।
কুষ্টিয়া জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক উল ইসলাম বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। তিনি দাবি করেন, গ্রেপ্তার দুই যুবক হলেন কুমারখালী উপজেলার শালঘর মধুয়া গ্রামের আরিফুল ইসলাম (২৮) এবং সদর উপজেলার দুর্বাচারা গ্রামের আব্দুল্লাহ (২৮)। তিনি আরও বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তারের পর পরিবারের পক্ষ থেকে যেকোনো দাবি উঠতেই পারে। তাঁর দাবি, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে ওই দুজনকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে ডিবি। পরিবারের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের সময় অস্ত্র না থাকার যে দাবি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে তিনি দাবি করেন।
"আমাদেরকে বাজারে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু আমাদের কাছে কোনো অস্ত্র ছিল না। পুলিশের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুষ্টিয়া জেলা, কুমারখালী উপজেলা শালঘর মধুয়া গ্রাম ও সদর উপজেলা দুর্বাচারা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফুল ইসলাম (২৮), আব্দুল্লাহ (২৮), মিথিলা ফারজানা, মো. ফারুক উল ইসলাম, ফয়সাল মাহমুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ বছর (দুই যুবকের বয়স), শতাধিক লোক (বাজারে উপস্থিত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!