📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুষ্টিয়া দৌলতপুরে মাদ্রাসা মুহতামিমের যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গণপিটুনি, পুলিশ আহত ও ভ্যান ভাঙচুর

কুষ্টিয়া দৌলতপুরে মাদ্রাসা মুহতামিমের যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গণপিটুনি, পুলিশ আহত ও ভ্যান ভাঙচুর

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুষ্টিয়া দৌলতপুরের একটি মাদ্রাসার মুহতামিম আশিকুল্লাহ (৪০) একাধিক শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গণপিটুনি করে আটক করার সময় পুলিশের ওসিসহ তিনজন সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনায় পুলিশের ভ্যানও ভাঙচুর হয়

কুষ্টিয়া দৌলতপুরের খলিশাকুন্ডি ইউনিয়নের মালিথাপাড়া এলাকায় অবস্থিত মার্কাজুল মাদ্রাসায় একাধিক শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মুহতামিম আশিকুল্লাহ (৪০) গণপিটুনি করে আটক করার সময় পুলিশের ওসিসহ তিনজন সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনায় পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানও ভাঙচুর হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আশিকুল্লাহ (৪০) নামের মাদ্রাসার মুহতামিমকে অভিযোগে গণপিটুনি করে আটক করা হয়, পুলিশের ওসিসহ তিনজন সদস্য আহত হয়েছেন
  • 📌 দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান, এএসআই নজরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আজম হোসেন আহত হন ঘটনায়
  • 📌 মার্কাজুল মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 পুলিশের পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর হয় ঘটনায়
  • 📌 ১৫ বছরের চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার পরিচালনার সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের

📰 বিস্তারিত

মাদ্রাসার মুহতামিম আশিকুল্লাহ (৪০) যৌন নির্যাতনের অভিযোগে আটক করার সময় ঘটনাস্থলে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় পুলিশের ওসিসহ তিনজন সদস্য আহত হন। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার দুপুরে খলিশাকুন্ডি ইউনিয়নের মালিথাপাড়া এলাকায় অবস্থিত মার্কাজুল মাদ্রাসায়। আশিকুল্লাহ যশোরের বাঘারপাড়া থানার জামদিয়া এলাকার মৃত ক্বারী এনামুল্লাহর ছেলে এবং ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষক ও মুহতামিম হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগে জানা যায়, মাদ্রাসার হুজুর বিভিন্ন সময় তাদের উপর জোরপূর্বক নির্যাতন চালিয়েছেন। এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘মাদ্রাসার হুজুর বিভিন্ন সময় আমার ওপর জোরপূর্বক নির্যাতন চালিয়েছেন। উপায় না পেয়ে বিষয়টি আমি পরিবারকে জানাই। পরে পরিবারের লোকজন এসে মাদ্রাসায় হুজুরকে আটকে রাখে।’

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মৃত মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে ছেলেকে হাফেজ বানানোর উদ্দেশ্যে মাদ্রাসায় দিয়েছিলাম। অথচ সেখানে আমার ছেলে এমন পাশবিক নির্যাতনের শিকার হলো। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

খলিশাকুন্ডি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘মাদ্রাসার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে অবরুদ্ধ করে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষককে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।’

দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষককে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়ার সময় জনতার হামলায় আমিসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

"মাদ্রাসার হুজুর বিভিন্ন সময় আমার ওপর জোরপূর্বক নির্যাতন চালিয়েছেন। উপায় না পেয়ে বিষয়টি আমি পরিবারকে জানাই। পরে পরিবারের লোকজন এসে মাদ্রাসায় হুজুরকে আটকে রাখে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খলিশাকুন্ডি ইউনিয়ন, মালিথাপাড়া, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আশিকুল্লাহ (৪০), ওসি খালেদুর রহমান, এএসআই নজরুল ইসলাম, কনস্টেবল আজম হোসেন, বেলাল হোসেন (চেয়ারম্যান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন পুলিশ আহত, ৪০ বছর বয়সী অভিযুক্ত, ১৫ বছর চুক্তি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖