📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুড়িগ্রামের মাদ্রাসায় ঘুষের লেনদেনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, নিয়োগ বৈঠক ইটভাটায়

কুড়িগ্রামের মাদ্রাসায় ঘুষের লেনদেনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, নিয়োগ বৈঠক ইটভাটায়

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুড়িগ্রামের উলিপুরের একটি মাদ্রাসায় নিয়োগ কমিটি ঘুষের অভিযোগে জড়িত। স্থানীয়রা জানান, মাদ্রাসার সভাপতি ও অধ্যক্ষ গোপনে ১ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। নিয়োগ বৈঠক ইটভাটায় অনুষ্ঠিত হয়

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার নাছিরিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় নিয়োগ কমিটির সদস্যরা ঘুষের অভিযোগে জড়িত। স্থানীয়দের বাধার মুখে গোপনে ইটভাটায় বৈঠক করে পাঁচজনকে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কুড়িগ্রামের উলিপুরে মাদ্রাসার সভাপতি ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ১ কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 স্থানীয়দের বাধার মুখে নিয়োগ কমিটি ইটভাটায় বৈঠক করে পাঁচজনকে নিয়োগ দেয়
  • 📌 তিনজন ল্যাব সহকারী ও একজন অফিস সহায়ক থেকে ৭৫ লাখ টাকা, একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে ২৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ
  • 📌 মাদ্রাসার সদস্য নুরুন্নবী বাসার বলেন, আগেও গোপনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল
  • 📌 মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোবাশ্বের রাশেদিন ঘুষের প্রমাণ অস্বীকার করেন

📰 বিস্তারিত

গত শনিবার নাছিরিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় পাঁচটি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য পরীক্ষা নেওয়ার কথা ছিল। তবে স্থানীয়দের বাধার মুখে নিয়োগ কমিটি ঘটনাস্থল থেকে সরে যায়। পরে ধামশ্রেণী ইউনিয়নের সাতকুড়া এলাকার একটি ইটভাটায় গিয়ে বৈঠক করে পাঁচজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাদ্রাসার সভাপতি ও অধ্যক্ষ গোপনে তিনজন ল্যাব সহকারী থেকে ৭৫ লাখ টাকা, একজন অফিস সহায়ক ও একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে ২৫ লাখ টাকা নিয়ে ১ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

মাদ্রাসার সদস্য নুরুন্নবী বাসার বলেন, ‘আমাকে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। আগেও তিনজনকে গোপনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এবারও গোপনে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টার কারণে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়েছেন।’

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও নিয়োগ কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা মোবাশ্বের রাশেদিন জানান, পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ১৭ জন আবেদন করেন। সেখান থেকে পরীক্ষার মাধ্যমে পাঁচজনের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি ঘুষের প্রমাণ অস্বীকার করে বলেন, ‘টাকা লেনদেনের কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। স্থানীয়দের ঝামেলা করার কারণে ইটভাটায় বৈঠক করা হয়েছে।’

সভাপতি মাওলানা আব্দুল মমিন আনছারী ফোনে বলেন, ‘কিছুজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কথা-কাটাকাটির কারণে ফেরার পথে ইটভাটায় সমন্বয় করা হয়েছে।’ ঘুষের লেনদেনের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি ফোন সংযোগ কেটে দেন।

"নিয়োগ পরীক্ষা সম্পর্কে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। আগেও তিনজনকে গোপনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এবারও গোপনে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টার কারণে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়েছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নাছিরিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা, উলিপুর, কুড়িগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাওলানা মোবাশ্বের রাশেদিন (অধ্যক্ষ), মাওলানা আব্দুল মমিন আনছারী (সভাপতি), নুরুন্নবী বাসার (সদস্য)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি টাকা (ঘুষ), ৭৫ লাখ টাকা (৩ জন ল্যাব সহকারী), ২৫ লাখ টাকা (১ জন অফিস সহায়ক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী), ১৭ জন (আবেদনকারী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖