📌 কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী তাজমীন হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা সিএনজি অটোরিকশা চালক সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করে তদন্ত চলছে। বাবা আবদুল আলীম মামলা দায়ের করেছেন
কুমিল্লায় তাজমীন হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা সিএনজি অটোরিকশা চালক সুমনকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় চট্টগ্রাম নগরীর অলংকার শিল্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সুমন মিয়া (৩৮) চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার বাসিন্দা এবং কুমিল্লার বাগমারা দক্ষিণের জয়নগর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুমন মিয়া (৩৮) কুমিল্লা তাজমীন হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা হিসেবে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার হন
- 📌 ঘটনাস্থল থেকে সিএনজি অটোরিকশা ও ভ্যানিটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়, সেটি জব্দ করা হয়েছে
- 📌 তাজমীন (১৩) কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের শিক্ষার্থী ছিলেন, মৃত্যুর আগে বাবার মোবাইলে অবস্থান পাঠিয়েছিলেন
- 📌 সুমন মাদকাসক্ত ও বখাটে প্রকৃতির লোক, জাতীয় পরিচয়পত্র নেই এবং মোবাইল ব্যবহার করেন না
- 📌 ঘটনায় বাবা আবদুল আলীম বাদী হয়ে লালমাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন
📰 বিস্তারিত
সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস জানান, ঘটনার পর থেকে সুমন আত্মগোপনে ছিলেন। তার অবস্থান শনাক্ত করতে সময় লেগেছে কারণ তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই এবং মোবাইলও ব্যবহার করেন না। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের ধানখেত থেকে তাজমীন (১৩) এর লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে সিএনজি অটোরিকশা ও একটি ভ্যানিটি ব্যাগ পাওয়া যায়। সিএনজি অটোরিকশাটি জব্দ করে সেটির সূত্র ধরে তদন্ত চলছে।
তাজমীন যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের আবদুল আলীমের মেয়ে। সে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবা আবদুল আলীম রেনেটা ওষুধ কোম্পানির কুমিল্লা অঞ্চলে চাকরি করেন। পরিবারের সদস্যরা রেসকোর্স এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। মৃত্যুর আগে তাজমীন বাবার মোবাইলে নিজের অবস্থানের লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।
সুমন মিয়া চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার বাসিন্দা এবং কুমিল্লার বাগমারা দক্ষিণের জয়নগর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তিনি মাদকাসক্ত ও বখাটে প্রকৃতির লোক। প্রায় এক মাস আগে সেখান থেকে চলে যান সুমন। তাকে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা ডিবি পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
"ঘটনার পর থেকে সুমন আত্মগোপনে ছিলেন। তার অবস্থান শনাক্ত করতে সময় লেগেছে কারণ তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র নেই এবং মোবাইলও ব্যবহার করেন না।"
— সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা (লালমাই উপজেলা, জগতপুর গ্রাম), চট্টগ্রাম (অলংকার শিল্প এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমন মিয়া (৩৮), আবদুল আলীম, সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ (তাজমীনের বয়স), ৩৮ (সুমনের বয়স), ৯ অক্টোবর (গ্রেফতার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!