📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুমিল্লায় মা ও ছয়মাস বয়সী ভাতিজিকে হত্যা স্বীকার করে আটক যুবক ইমন মিয়া

কুমিল্লায় মা ও ছয়মাস বয়সী ভাতিজিকে হত্যা স্বীকার করে আটক যুবক ইমন মিয়া

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুমিল্লার দেবিদ্বারে নিজ মা ও ছয় মাস বয়সী ভাতিজিকে হত্যার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন আটক ইমন মিয়া (২৯)। আদালতে জবানবন্দি গ্রহণের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। মা ও ভাতিজির লাশ মঙ্গলবার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়

কুমিল্লার দেবিদ্বারে নিজ মা ও ছয় মাস বয়সী ভাতিজিকে হত্যার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন আটক যুবক ইমন মিয়া (২৯)। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) আদালতে তার জবানবন্দি গ্রহণের পর বিচারক তাকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় মা পিয়ারা বেগম এবং ছোট ভাতিজি ইসরাত জাহানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কুমিল্লা দেবিদ্বারে নিজ মা ও ছয় মাস বয়সী ভাতিজিকে হত্যার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ইমন মিয়া (২৯)।
  • 📌 সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৪-এর বিচারক সায়মা শরীফ নিশাতের সামনে জবানবন্দি দেন তিনি।
  • 📌 ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করা হয়।
  • 📌 মঙ্গলবার মা ও ভাতিজির লাশ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
  • 📌 ইমনের ভাতিজির মা ও ভাবি রাবেয়া বেগম গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

📰 বিস্তারিত

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৪-এর বিচারক সায়মা শরীফ নিশাতের সামনে ইমন মিয়া নিজের জবানবন্দি দেন। পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান জানান, ইমন মিয়া নিজ মা পিয়ারা বেগম এবং ছয় মাস বয়সী ভাতিজি ইসরাত জাহানকে কুপিয়ে ও আছাড় দিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। জবানবন্দি গ্রহণের পর রাত পৌনে দশটার দিকে বিচারক তাকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ ঘটনায় ইমনের মা পিয়ারা বেগম এবং ছোট ভাতিজি ইসরাত জাহানকে হত্যা করা হয়। ইসরাত জাহানের বাবা ইমনের বড় ভাই সুজন মিয়া। ঘটনাস্থলে শিশুটির মা ও ইমনের ভাবি রাবেয়া বেগম গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইমন মিয়া কুমিল্লা সদর উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মৃত ফরিদ উদ্দিনের ছোট ছেলে।

মঙ্গলবার ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিকেলে জানাজা শেষে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে বলে জানান মামলার তদন্তকারী অফিসার উপ পুলিশ পরিদর্শক বাঁধন দাস।

"মা ও ছয় মাস বয়সী ভাতিজিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন ইমন মিয়া। জবানবন্দি গ্রহণের পর তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুমিল্লা সদর, দেবিদ্বার, বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমন মিয়া (২৯), বিচারক সায়মা শরীফ নিশাত, পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান, উপ পুলিশ পরিদর্শক বাঁধন দাস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ (ইমনের বয়স), ৬ (ভাতিজির বয়স), ১৬৪ (ফৌজদারী কার্যবিধি ধারা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖