📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুমিল্লায় মা ও আটমাস বয়সী ভাতিজি হত্যার দায় স্বীকার করে ইমন মিয়া: আদালতে কান্নায় ভেঙে জবানবন্দি

কুমিল্লায় মা ও আটমাস বয়সী ভাতিজি হত্যার দায় স্বীকার করে ইমন মিয়া: আদালতে কান্নায় ভেঙে জবানবন্দি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুমিল্লার দেবিদ্বারে মা ও আটমাস বয়সী ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার করে ইমন মিয়া (২৮) আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন এবং রাতেই কারাগারে পাঠানো হয়। ঘটনায় মা পিয়ারা বেগম (৬৫) ও ভাতিজি ইসরাত জাহান নিহত হন, ভাবী রাবেয়া বেগম গুরুতর আহত হন

কুমিল্লার দেবিদ্বারে একটি পরিবারের মা ও আটমাস বয়সী ভাতিজিকে হত্যার ঘটনায় ইমন মিয়া (২৮) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৪-এর বিচারক সায়মা শরীফ নিশাতের সামনে পুলিশের ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করা হয়। ইমন মিয়া জবানবন্দি শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ পেয়ে রাতেই পুলিশি নিরাপত্তায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার সময় ইমন কান্নায় ভেঙে পড়েন বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৮ বছর বয়সী ইমন মিয়া কুমিল্লার দেবিদ্বারে মা ও আটমাস বয়সী ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার করেন এবং আদালতে জবানবন্দি দেন।
  • 📌 সোমবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিট বড়শালঘর ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে ঘটনা ঘটে।
  • 📌 নিহত হন ইমনের মা পিয়ারা বেগম (৬৫) ও ভাতিজি ইসরাত জাহান (৮ মাস)।
  • 📌 গুরুতর আহত হন ইমনের ভাবী রাবেয়া বেগম, তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
  • 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ইমন মা পিয়ারা বেগমকে দা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। পরে ভাতিজিকে আছাড় দিয়ে হত্যা করেন।
  • 📌 ২০১৮ সাল থেকে ইমনের পায়ে ব্যথা থাকলেও অস্ত্রোপচার করায় ব্যথা পুরোপুরি কমেনি।
  • 📌 দেবিদ্বার থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, ইমন আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

পুলিশের তথ্য মতে, ইমন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে পায়ের ব্যথায় ভুগছিলেন। সোমবার সকালে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করলে তাঁর মা বাধা দেন। এ সময় ইমন মায়ের কাছ থেকে দা নিয়ে তাঁকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেন। পরে ইমনের ভাবী রাবেয়া বেগম আটমাস বয়সী মেয়েকে কোলে নিয়ে ঘটনাস্থলে এলে ইমন তাঁকেও কাঠের লাঠি দিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে শিশুটি কোলে থেকে পড়ে গেলে ইমন তাকে তুলে নিয়ে আছাড় দিয়ে হত্যা করেন।

স্থানীয়রা জানান, ইমনের পায়ের ব্যথা শুরু হয় ২০১৮ সালে ফুটবল খেলার সময়। দুই-তিন বছর আগে তাঁর পায়ে অস্ত্রোপচার করা হলেও ব্যথা পুরোপুরি কমেনি। সম্প্রতি এলাকাবাসীর সহায়তায় প্রায় ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে তাঁর পায়ে আবার অস্ত্রোপচার করা হয়। রোববার হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পরও পায়ের ব্যথা অব্যাহত ছিল বলে স্থানীয়রা জানান। ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত রাবেয়া বেগমকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান এবং ইমনকে একটি ঘরে আটকে রাখেন।

দেবিদ্বার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহীন মিয়া ও দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ইমনকে আটক করে। ইমনের বড় ভাই সুজন মিয়া বাদী হয়ে ইমন মিয়াকে একমাত্র আসামি করে দেবিদ্বার থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

"ইমন আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। নিহত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।"

— দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বড়শালঘর গ্রাম, দক্ষিণপাড়া মোস্তফা মাস্টারের বাড়ি, দেবিদ্বার, কুমিল্লা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমন মিয়া (২৮), পিয়ারা বেগম (৬৫), ইসরাত জাহান (৮ মাস), রাবেয়া বেগম, সুজন মিয়া, সায়মা শরীফ নিশাত, মো. শাহীন মিয়া, মো. মনিরুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ বছর (ইমনের বয়স), ৬৫ বছর (মায়ের বয়স), ৮ মাস (ভাতিজির বয়স), ৭০ হাজার টাকা (অস্ত্রোপচার খরচ), ২১ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ), ১৬৪ ধারা (জবানবন্দি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖