📌 কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির একটি ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার অটোরিকশাচালক সুমন আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুমন ছাত্রীকে ৩০০ টাকা ভাড়ায় বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং পরে তাকে হত্যা করেছিলেন
কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির একটি ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার অটোরিকশাচালক সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ শনিবার বিকেলে কুমিল্লা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সুমনকে ১৬৪ ধারা অনুযায়ী জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়
- 📌 বিচারক মমিনুল হক সুমনের জবানবন্দি গ্রহণ করেন এবং তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন
- 📌 সুমন গত বুধবার রাতে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় ৩০০ টাকা ভাড়ায় ছাত্রীকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে গিয়েছিলেন
- 📌 পরে সুমন ছাত্রীকে লালমাই উপজেলার একটি ফসলি জমিতে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করেন
- 📌 পরদিন সকালে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ
- 📌 সুমন ছাত্রীর মুঠোফোন নিয়ে চট্টগ্রামে পালিয়ে যান, পরে মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়
- 📌 ভুক্তভোগী অটোচালক স্বামীর সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করেন, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে তাঁর স্বামীর বাড়ি
📰 বিস্তারিত
আজ শনিবার বিকেলে সাড়ে তিনটার দিকে সুমনকে কুমিল্লা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৬ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক মমিনুল হক তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। কুমিল্লা আদালতের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান জানান, সুমন হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে রাত সাতটা ২০ মিনিটে সুমনকে কুমিল্লা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার রাতে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকা থেকে ৩০০ টাকা ভাড়ায় ছাত্রীকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সুমন অটোরিকশায় তোলেন। পরে সুমন ছাত্রীকে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগৎপুর গ্রামের একটি ফসলি জমিতে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করেন। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগৎপুর গ্রামের সেই ফসলি জমি থেকে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে কুমিল্লার একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির অনিয়মিত শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, হত্যার পর সুমন ছাত্রীর মুঠোফোন নিয়ে চট্টগ্রামে পালিয়ে যান। গতকাল শুক্রবার সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাখরাবাদ এলাকার একটি জঙ্গল থেকে মুঠোফোনটি উদ্ধার করা হয়। ভুক্তভোগী অটোচালক স্বামীর সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করেন। পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে তাঁর স্বামীর বাড়ি। গতকাল বিকেলে ওই নারী পঞ্চগড় থেকে নোয়াখালী যাওয়ার উদ্দেশে ঠাকুরগাঁও বাসস্ট্যান্ডে আসেন। কিন্তু সঙ্গে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় বাসে উঠতে না পেরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অপেক্ষা করছিলেন।
"আমি ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা করেছি। সে কুমিল্লার একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।" — সুমন, অটোরিকশাচালক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা, লালমাই উপজেলা, পেরুল উত্তর ইউনিয়ন, জগৎপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমন (অটোরিকশাচালক), মমিনুল হক (বিচারক), সাদেকুর রহমান (পরিদর্শক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ টাকা (ভাড়া), ১৬৪ ধারা (ফৌজদারি কার্যবিধি), ৬ নম্বর আদালত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!