📌 কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাজমিন হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন রাজুকে কক্সবাজার থেকে নিতে গিয়ে কুমিল্লা ডিবি তাকে রেখে ফিরে আসে। পুলিশের দাবি, রাজুর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি
কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক রাজুকে (২০) কক্সবাজার থেকে নিতে গিয়ে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে রেখে ফিরে আসে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে রাজুকে কক্সবাজার থেকে নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে পুলিশের দল গিয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে সঙ্গে নিয়ে আসেনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লা ডিবি তাজমিন হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন রাজুকে কক্সবাজার থেকে নিতে গিয়ে তাকে রেখে ফিরে আসে
- 📌 রাজুর সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় কুমিল্লা পুলিশ তাকে গ্রহণ করেনি
- 📌 তাজমিনের মোবাইল ফোনের কললিস্টে রাজুর নাম পাওয়া গেলেও ঘটনার সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয়নি
- 📌 কক্সবাজার পুলিশের দাবি, রাজুকে নিয়ে যাওয়া হলেও পরে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়
- 📌 ঘটনার প্রায় দুই দিন আগে রাজু ও তাজমিনের দেখা-সাক্ষাতের তথ্য পাওয়া যায়
📰 বিস্তারিত
কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক রাজুকে (২০) কক্সবাজার থেকে নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে সোমবার সকালে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল কক্সবাজার গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত রাজুকে সঙ্গে নিয়ে আসেনি। কুমিল্লা পুলিশের দাবি, রাজুর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া বিভাগের মুখপাত্র মো. লুৎফর রহমান।
রোববার রাতে তাজমিন হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে রাজুকে কক্সবাজারের কলাতলী বিচ এলাকা থেকে আটক করে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ। পরে সোমবার সকালে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পবিত্র সরকারের নেতৃত্বে একটি দল তাকে নিতে কক্সবাজার যায়। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রাজুকে কক্সবাজার সদর থানা থেকে বের করে ডিবি পুলিশের একটি গাড়িতে তোলা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে সঙ্গে না নিয়ে কক্সবাজার সদর থানায় রেখে ফিরে যায় পুলিশের দল।
কুমিল্লা ডিবির পক্ষ থেকে পাঠানো একটি চিঠিতে বলা হয়, তাজমিনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের কললিস্ট ও অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করে ঘটনার প্রায় দুই দিন আগে রাজুর কক্সবাজার সদর থানা এলাকায় অবস্থানের তথ্য পাওয়া যায়। ওই সময় রাজুর সঙ্গে তার দেখা-সাক্ষাত হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া ঘটনার আগে তাদের মধ্যে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া যায়। চিঠিতে আরও বলা হয়, তাজমিনের সঙ্গে রাজুর পূর্বপরিচয় ও সম্পর্কের ধরন, ঘটনার আগে তাদের যোগাযোগের কারণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে যোগাযোগের তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘তাজমিন হত্যা মামলায় রাজুর সংশ্লিষ্টতা না থাকায় তাকে গ্রহণ করেনি জেলা পুলিশ।’ অন্যদিকে, কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) অহিদুর রহমান বলেন, ‘আমাকে ওসি প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিলেন, তারা আসামিকে নিয়ে গেছেন। পরে শুনলাম, তারা নেননি। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে কী করা যায়, দেখছি।’
"আমরা গ্রহণ করিনি। আপনারা রিপোর্ট করুন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা জেলা, কক্সবাজার সদর থানা, কলাতলী বিচ এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজু (২০), জান্নাতুল তাজমিন, মো. লুৎফর রহমান, পবিত্র সরকার (এসআই), অহিদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ (রাজুর বয়স), ১২ (অক্টোবর), ১৭:০০ (পিএম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!