📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ড মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সুপার মো. লুৎফুর রহমান নতুন তদন্তকারীর নাম ঘোষণা করেছেন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ড মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন সদর দক্ষিণ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব আহমেদ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লা হত্যাকাণ্ড মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন: নতুন তদন্তকারী হলেন সদর দক্ষিণ মডেল থানার পরিদর্শক রাজিব আহমেদ
- 📌 মামলার প্রথম তদন্তকারী ছিলেন এসআই সাইফুল ইসলাম, যিনি এখন থেকে তদন্তের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত ৪ জনের মধ্যে ২ জন কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে, ১ জন গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে এবং ১ জন সন্দেহে গ্রেপ্তার
- 📌 অপ্রতিমের মৃতদেহ ১৯ সেপ্টেম্বর লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান জানিয়েছেন, অপ্রতিম হত্যা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, নতুন তদন্তকারী হিসেবে সদর দক্ষিণ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব আহমেদকে নিযুক্ত করা হয়েছে। এসআই সাইফুল ইসলামের তদন্তের পর রাজিব আহমেদ মামলার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
সদর দক্ষিণ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব আহমেদ জানান, পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তনের আদেশ পেয়েছেন। তিনি বলেন, “নথিপত্র পাওয়ার পর তদন্ত কাজ শুরু করা হবে। আশা করি, শিগগিরই তদন্তের পর দ্রুততম সময়ে আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করতে পারবো।”
অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৮ সেপ্টেম্বর বিকালে আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন। পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর পুলিশ লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও অপ্রতিমের মোবাইল ফোনের তথ্য অনুসরণ করে তারা এ পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫), মো. কামরুল হাসান (১৬) এবং সন্দেহে মো. সিয়াম (১৯)।
ওইদিন সিয়াম ছাড়া অন্যান্য ৩ জন কুমিল্লার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। অপর দুইজন কামরুল হাসান ও সিয়াম কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছে। অপর দুই শিশু ফাহাদ ও কামরুল হাসানকে গত সোমবার গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
"আজ-কালের মধ্যে মামলার যাবতীয় নথিপত্র হস্তান্তর করা হবে।" — এসআই সাইফুল ইসলাম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানা, লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকা, কোটবাড়ি এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. নাহিদা বেগমের, ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম, রাজিব আহমেদ, মো. লুৎফুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ, মো. কামরুল হাসান, মো. সিয়াম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ সেপ্টেম্বর, ৮:৪৩ টা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৫ বছর, ১৬ বছর, ১৯ বছর, ৩ জন (স্বীকারোক্তি), ২ জন (গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!