📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কক্সবাজারের ছাত্রদল নেতা নির্যাতন ও হত্যার শিকার: পুলিশ উদ্ধার করে মরদেহ

কক্সবাজারের ছাত্রদল নেতা নির্যাতন ও হত্যার শিকার: পুলিশ উদ্ধার করে মরদেহ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজার চকরিয়া উপজেলায় ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে অপহরণ করে নির্যাতন ও হত্যা করা হয়। পুলিশ রাত ৩টায় তার মরদেহ উদ্ধার করে। ছাত্রদল আন্দোলনের দাবি জানিয়েছে

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসান (২৭)কে অপহরণ করে নির্যাতন ও হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ গতকাল রোববার রাত ৩টায় তার মরদেহ খুটাখালী মেধাকচ্ছপিয়া এলাকার মহাসড়কের পাশে উদ্ধার করেছে। পরিবার ও ছাত্রদল নেতারা দাবি করছেন, জিসানকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে এবং তার মরদেহ সেখানে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৭ বছর বয়সী ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে। তার মরদেহ রাত ৩টায় উদ্ধার করা হয়।
  • 📌 নিহত জিসান কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন এবং দক্ষিণ লোটনী গ্রামের নাজেম উদ্দিনের পুত্র।
  • 📌 গত রাত ১২টায় একদল দুর্বৃত্ত সাদা নোয়া গাড়িতে করে জিসানকে অপহরণ করে নেয়। পরে তার মরদেহ মহাসড়কের পাশে ঝোপের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়।
  • 📌 নিহত জিসানের গলা ও কপালে আঘাতের দাগ রয়েছে। পুলিশ রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য তদন্ত করছে।
  • 📌 ছাত্রদল সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পী বলেছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার না করলে ছাত্রদল আন্দোলনে নামবে।
  • 📌 নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ১০ কিশোরকে পুলিশ শপথবাক্য পাঠ করে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে।

📰 বিস্তারিত

কক্সবাজার চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী মেধাকচ্ছপিয়া এলাকায় গতকাল রাত ৩টার দিকে পুলিশ মহাসড়কের পাশে ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসানের মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, জিসানকে গত রাত ১২টার দিকে কাকারা ইউনিয়ন থেকে সাদা রঙের নোয়া গাড়িতে করে অপহরণ করা হয়। খবর পেয়ে পরিবার ও বন্ধুরা তার খোঁজ শুরু করলে রাত ৩টায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহত জিসান কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন এবং দক্ষিণ লোটনী গ্রামের নাজেম উদ্দিনের ছেলে। ছাত্রদল নেতারা দাবি করছেন, জিসানকে প্রথমে চকরিয়া পৌরসভার সবুজবাগ আবাসিক এলাকার কবির টাওয়ারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে কয়েক ঘণ্টা ধরে নির্যাতন করা হয়। পরে তাকে হত্যা করে একটি সুতার বস্তায় ভরে মহাসড়কের পাশে ঝোপের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়।

ছাত্রদল সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পী বলেছেন, “জিসানকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করতে হবে। নতুবা আমরা সাধারণ ছাত্রসমাজের সঙ্গে রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামবো।”

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, “ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশের কয়েকটি দল কাজ করছে। তার গলা ও কপালে আঘাতের দাগ রয়েছে। কী কারণে তাকে অপহরণ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।”

অন্যদিকে, নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গতকাল রাত ১০টার দিকে চরজব্বার থানার নিচে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুলিশ ১০ কিশোরকে শপথবাক্য পাঠ করে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে। চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান কিশোরদের শপথবাক্য পাঠ করেন।

"জিসানকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চকরিয়া উপজেলা, কক্সবাজার (মরদেহ উদ্ধার: খুটাখালী মেধাকচ্ছপিয়া এলাকা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসফাতুল ইসলাম জিসান (২৭), রেজাউল করিম বাপ্পী, নাজেম উদ্দিন, আরিফুর রহমান (ওসি), রফিকুল হাসান (ওসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ বছর বয়স, ৩ টা (মরদেহ উদ্ধার সময়), ১২ টা (অপহরণ সময়), ২৪ ঘণ্টা (দাবি), ১০ জন কিশোর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖