📌 কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ইয়াবা সরবরাহে সোহেল মিয়া ও ফয়সাল মিয়া নামে দু’জনকে শিকল দিয়ে আটকে রাখা হয়। পুলিশ আসার আগেই ইউপি সদস্য মানিক মিয়া তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে যান। ঘটনায় ৫ হাজার পিস ইয়াবা জড়িত ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার শ্রীনগর এলাকায় ইয়াবা সরবরাহে সোহেল মিয়া ও ফয়সাল মিয়া নামে দু’জনকে শিকল দিয়ে আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ আসার আগেই ইউপি সদস্য মানিক মিয়া তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে যান। ঘটনায় ৫ হাজার পিস ইয়াবা জড়িত ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকাল ৩টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কিশোরগঞ্জ ভৈরবের শ্রীনগর ইউনিয়ন ৭ নম্বর ওয়ার্ডে সোহেল মিয়া ও ফয়সাল মিয়াকে শিকল দিয়ে আটকে রাখা হয়
- 📌 হাকিম মিয়া দাবি, টেকনাফ থেকে আসা ৫ হাজার পিস ইয়াবা কার কাছে সরবরাহ করা হয়েছে, সোহেলকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে আটক করেন
- 📌 পুলিশ আসার আগেই ইউপি সদস্য মানিক মিয়া তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে যান, ঘটনায় আইনি জটিলতা সৃষ্টি
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা সাত্তার মিয়া জানান, ইয়াবা ওসমান নামে অন্য একজনের কাছে দেওয়া হয়েছিল বলে শুনেছেন
- 📌 ভৈরব থানার উপপরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, টাকা-পয়সা নিয়ে বিরোধের কথা জানানো হয়, ইয়াবা বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দেননি হাকিম
📰 বিস্তারিত
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ইয়াবা সরবরাহে সোহেল মিয়া ও ফয়সাল মিয়া নামে দু’জনকে শিকল দিয়ে আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে। হাকিম মিয়া নামে এক ব্যক্তি এই অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, টেকনাফ থেকে পাঠানো ৫ হাজার পিস ইয়াবা কার কাছে সরবরাহ করা হয়েছে, তা জানতে চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত। হাকিম মিয়া বলেন, সোহেল তাঁকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন এবং পরে লাঠি দিয়ে মারধর করেন।
হাকিম মিয়া জানান, সোহেল প্রথমে তাঁর মা-বাবাকে নিয়ে গালিগালাজ করে। এরপর তিনি সোহেলকে জিজ্ঞেস করেন, টেকনাফ থেকে আসা ইয়াবাগুলো কার কাছে দেওয়া হয়েছে। টেকনাফের এক ব্যক্তিকে ফোন করলে তিনি ফয়সালের কাছে ৫ হাজার পিস ইয়াবা পাঠানোর কথা বলেন। এরপর হাকিম সোহেলকে আটক করেন। পরে ফয়সালসহ আরও কয়েকজন আসলে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে সোহেল হাকিমকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। হাকিম লোকজনের মাধ্যমে তাদের দু’জনকে আটক করে বেধে রাখেন।
হাকিম মিয়া জানান, সোহেল ও ফয়সাল এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। বুলবুল থানার ওসিকে বিষয়টি জানানোর পর পুলিশ আসার আগেই ইউপি সদস্য মানিক মিয়া লোকজন নিয়ে তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে যান। স্থানীয় বাসিন্দা সাত্তার মিয়া বলেন, তাদের মধ্যে প্রথমে টাকা-পয়সা নিয়ে বিরোধ ছিল। ৫ হাজার ইয়াবা হাকিমকে দেওয়ার কথা থাকলেও তা ওসমান নামে অন্য একজনের কাছে দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি শুনেছেন।
"সোহেল প্রথমে আমার মা-বাবাকে নিয়ে গালিগালাজ করে। পরে আমি তাকে জিজ্ঞেস করি, টেকনাফ থেকে আসা ইয়াবাগুলো কার কাছে দিয়েছে। টেকনাফের এক ব্যক্তিকে ফোন করলে তিনি ফয়সালের কাছে ৫ হাজার পিস ইয়াবা পাঠানোর কথা বলেন। এরপর আমি সোহেলকে আটক করিলে পরে তাঁর ভাই ফয়সালসহ আরও কয়েকজন আসলে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে সোহেল আমাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন।"
ভৈরব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বুলবুল মিয়া ৫ হাজার পিস ইয়াবা নিয়ে আটকের বিষয়টি থানার ওসিকে জানিয়েছিলেন। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে সোহেল ও ফয়সালকে পাননি। তাঁর ভাষ্য, সেখানে টাকা-পয়সা নিয়ে বিরোধের কথা বলা হয়েছিল এবং পরে সামাজিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার কথা জানানো হয়। হাকিম তাঁর কাছে ৫ হাজার পিস ইয়াবার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি বলেও দাবি করেন তিনি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা, শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদ, ৭ নম্বর ওয়ার্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাকিম মিয়া, সোহেল মিয়া, ফয়সাল মিয়া, মানিক মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান (ভৈরব থানার উপপরিদর্শক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হাজার পিস ইয়াবা, ৭ নম্বর ওয়ার্ড, ১৪ অক্টোবর, ৩ টা বিকাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!