📌 জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার ৩০ বছর বয়সী ছামছুল ইসলাম অভাবের কারণে নিজের কিডনি বিক্রি করার পরও অর্থের সংকট কাটাতে ব্যর্থ হন। ট্রান্সফরমার চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার সময় তার পকেটে ইরানের চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছে, মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অবৈধ বেচাকেনা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার ৩০ বছর বয়সী ছামছুল ইসলাম (৩০) অভাবের কারণে নিজের কিডনি বিক্রি করার পরও অর্থের সংকট কাটাতে ব্যর্থ হন। ট্রান্সফরমার চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার সময় তার পকেটে ইরানের চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছে, মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অবৈধ বেচাকেনা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ বছর বয়সী ছামছুল ইসলাম অভাবের কারণে নিজের কিডনি বিক্রি করার পরও অর্থের সংকট কাটাতে ব্যর্থ হন এবং ট্রান্সফরমার চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হন।
- 📌 ১৩ অক্টোবর রাত ১১টায় কালাই উপজেলার মাত্রাই বাজার থেকে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
- 📌 জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তিনি প্রায় এক মাস আগে ইরানে গিয়ে নিজের কিডনি পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন।
- 📌 গ্রেপ্তারের সময় তার পকেটে ইরানের চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র পাওয়া যায় এবং তার শরীরে অস্ত্রোপচারের দাগ দেখা যায়।
- 📌 কালাই থানার ওসি সাইদুল আলম জানান, মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অবৈধ বেচাকেনা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
📰 বিস্তারিত
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার মাত্রাই ইউনিয়নের শাইলগুন গ্রামের ছামছুল ইসলাম (৩০) অভাবের কারণে নিজের কিডনি বিক্রি করার পরও অর্থের সংকট কাটাতে ব্যর্থ হন। তিনি দাবি করেন, প্রায় এক মাস আগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে ইরানে যান। সেখানে একটি হাসপাতালে নিজের বাম পাশের কিডনি পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রি করেন।
ছামছুল জানান, চট্টগ্রামে কাজ করার সময় মাসুম নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে ওই ব্যক্তির মাধ্যমে কিডনি কেনাবেচা ও প্রতিস্থাপনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ হয়। একপর্যায়ে তার পাসপোর্ট ও ভিসার ব্যবস্থা করে তাকে ইরানে নেওয়া হয়। সেখানে এক নারী ব্যবসায়ীর শরীরে তার কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে কালাই উপজেলার মাত্রাই বাজার থেকে ছামছুলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার পকেটে ইরানের এক চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র পাওয়া যায়। এ ছাড়া তার শরীরের বাম পাশে অস্ত্রোপচারের দাগ দেখা গেছে বলে প্রতিবেদকের কাছে থাকা ভিডিও ফুটেজে উল্লেখ করা হয়েছে।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, ট্রান্সফরমার চুরির মামলায় ছামছুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে জানা যায়, তিনি সম্প্রতি একটি কিডনি বিক্রি করেছেন। তিনি আরও বলেন, মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অবৈধ বেচাকেনা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ উপজেলায় কিডনি কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত সক্রিয় দালালদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
"আমি চট্টগ্রামে কাজ করার সময় মাসুম নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হন। পরে ওই ব্যক্তির মাধ্যমে কিডনি বিক্রির বিষয়টি জানতে পারি। তার পাসপোর্ট ও ভিসার ব্যবস্থা করে আমাকে ইরানে নিয়ে যান। সেখানে আমার কিডনি বিক্রি করে এক নারী ব্যবসায়ীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কালাই উপজেলা, জয়পুরহাট; মাত্রাই বাজার, শাইলগুন গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ছামছুল ইসলাম (৩০), ওসি সাইদুল আলম, মাসুম (কিডনি বিক্রির মধ্যস্থতাকারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর বয়স, ৫ লাখ টাকা, ১৩ অক্টোবর, ১১ টা, ১৪ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!