📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আজমুল হোসেনের হত্যা মামলায় চারজন আসামির মধ্যে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। পুলিশ জানায়, আজমুলকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল মেসে চুরির অভিযোগে
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আজমুল হোসেনের হত্যা মামলায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৬) আরেকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় মোট চারজন আসামির মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামি হলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের ১৮ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী শেখ আসিফ হোসেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আজমুল হোসেনের হত্যা মামলায় চারজন আসামির মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন
- 📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী প্রতাপ সরকার ও জুসের দোকানের মালিক তারেক হাসান রুবেল বুধবার আদালতে জবানবন্দি দেন
- 📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী হাসনাত হাবিব রিফাত মঙ্গলবার রাতে স্বীকারোক্তি দেন
- 📌 শেখ আসিফ হোসেনকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়
- 📌 আজমুলকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল মেসে চুরির অভিযোগে; মৃত্যু হয় চারতলা মেসের ছাদ থেকে পড়ার পর
- 📌 আজমুলের বাবা মো. কুতুব উদ্দীন মামলায় চারজন শিক্ষার্থী ও অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনকে আসামি করে দায়ের করেন
📰 বিস্তারিত
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আজমুল হোসেনের হত্যা মামলায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৬) মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া গোলচত্বর থেকে শেখ আসিফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার তাঁকে হরিণটানা থানায় হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজমুল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাগ্রোটেকনোলজি বিভাগের ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী প্রতাপ সরকার ও জুসের দোকানের মালিক তারেক হাসান রুবেল। বুধবার দুপুরে খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইব্রাহিম খলিল তাঁদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
এই ঘটনায় মোট চারজন আসামির মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এর মধ্যে হাসনাত হাবিব রিফাত (১৬ ব্যাচ, এফএমআরটি বিভাগ) মঙ্গলবার রাতে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আজমুল হত্যা মামলায় মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রতাপ সরকারকে ডিবি এবং বাকি তিনজনকে এসআরবি আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শেখ আসিফ হোসেন এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে।
গত শুক্রবার রাতে প্রথমে ভাত চুরি করে খাওয়ার অভিযোগ তুলে আজমুল হোসেনকে পিটানো শুরু হয়। পরে মেসে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের কাপড়, টাকাপয়সাসহ বিভিন্ন জিনিস চুরির অভিযোগ তোলা হয়। চারতলা মেস ভবনের ছাদে পিটানোর একপর্যায়ে আজমুল নিচে পড়ে মারা যান। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আজমুলের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানায়। এ ঘটনায় আজমুলের বাবা মো. কুতুব উদ্দীন বাদী হয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান চার শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
"আজমুল হত্যা মামলায় মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে প্রতাপ সরকারকে ডিবি এবং বাকি তিনজনকে এসআরবি আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।" — হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা ভাটিয়াপাড়া, হরিণটানা থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আজমুল হোসেন, শেখ আসিফ হোসেন, প্রতাপ সরকার, তারেক হাসান রুবেল, হাসনাত হাবিব রিফাত, মো. কুতুব উদ্দীন, ইব্রাহিম খলিল, ইকবাল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ (শেখ আসিফ হোসেনের ব্যাচ), ১৭ (প্রতাপ সরকারের ব্যাচ), ১৬ (রিফাতের ব্যাচ), ২০-২৫ (অজ্ঞাতনামা আসামি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!