📌 খুলনা সদর সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মণ্ডলকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে তিনি নিজে ফিরে আসেন। তিনি দাবি করেন, তাঁকে নিয়ে যাওয়া ছিল একটি সমস্যার কথা বলতে। অভিযোগ করেননি। সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে ঢাকার প্রবাসী দুইজন নিহত
খুলনা সদর সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মণ্ডলকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে তিনি নিজে ফিরে আসেন। ঘটনাটি ঘটে বুধবার দুপুরে খুলনা সদর থানার কাছাকাছি কেডি ঘোষ রোডে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মুখোশধারী ব্যক্তিরা অস্ত্রের মুখে তাঁকে রিকশায় করে জেলখানা ঘাটের দিকে নিয়ে যান। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একজন মুখে কাপড় বাঁধা ব্যক্তি পেটে পিস্তল তাকিয়ে রেখেছেন। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, কিন্তু সাব-রেজিস্ট্রার কোনো অভিযোগ করেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা সদর সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মণ্ডলকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে তিনি নিজে ফিরে আসেন।
- 📌 সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একজন মুখে কাপড় বাঁধা ব্যক্তি পেটে পিস্তল তাকিয়ে রেখেছেন এবং রিকশার সামনে-পেছনে দুটি মোটরসাইকেল ছিল।
- 📌 তন্ময় কুমার মণ্ডল দাবি করেন, তাঁকে নিয়ে যাওয়া ছিল একটি সমস্যার কথা বলতে। তিনি বলেন, ‘আমাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সত্য নয়’।
- 📌 সদর থানার এসআই জামাল উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থলে থাকা অবস্থাতেই তিনি ফিরে আসেন এবং অভিযোগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন।
- 📌 সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে ঢাকার উত্তর শিমুলিয়া গ্রামের দুই প্রবাসী নিহত হন।
📰 বিস্তারিত
খুলনা সদর সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মণ্ডলকে বুধবার দুপুরে (৩টা ১০ মিনিট) কার্যালয় থেকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আধা ঘণ্টা পর তিনি নিজে ফিরে আসেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মুখোশধারী ব্যক্তিরা অস্ত্রের মুখে তাঁকে বাইরে নিয়ে যান এবং মোটরসাইকেলে করে পশ্চিম সদর হাসপাতাল রোড দিয়ে জেলখানা ঘাটের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একজন মুখে কাপড় বাঁধা ব্যক্তি পেটে পিস্তল তাকিয়ে রেখেছেন এবং রিকশার সামনে ও পেছনে দুটি মোটরসাইকেল ছিল। ঘটনাস্থলে থাকা সদর থানার এসআই জামাল উদ্দিন বলেন, ‘বেলা ৩টা ১০ মিনিটের দিকে সাব-রেজিস্ট্রারকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে একটি রিকশায় নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। আমরা ঘটনাস্থলে থাকা অবস্থাতেই তিনি ফিরে আসেন। তিনি কোনো অভিযোগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন।’
তন্ময় কুমার মণ্ডল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি কার্যালয় থেকে বাইরে বের হচ্ছিলাম। তখন তাঁরা একটি সমস্যার কথা বলেন। তাই কথা বলতে গিয়েছিলাম। তবে তাঁরা কারা, জানি না। তাঁরা আমাকে রিকশায় করে নদীর ঘাটে নিয়ে যান। সেখানে কিছু কথা বলে চলে আসি। আমাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সত্য নয়।’ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁকে কিছুটা আতঙ্কিত দেখা যায় এবং তিনি এলোমেলোভাবে কথা বলছিলেন।
সদর থানার ওসি লোকমান হোসেন রিপন জানান, ‘কাগজপত্র দেখানোর কথা বলে সাব-রেজিস্ট্রারকে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে খুলনা নিউমার্কেট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি রহস্যজনক হওয়ায় অনুসন্ধান চলছে।’ ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে অফিসপাড়ায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তিনিও বিষয়টি শুনেছেন। তবে অভিযোগ পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
ঘটনার পর তন্ময় কুমার মণ্ডল বিকেল ৫টা পর্যন্ত কার্যালয়ে ছিলেন। পরে তাঁর পরিবারের সদস্যরা এসে তাঁকে বাসায় নিয়ে যান।
"আমি কার্যালয় থেকে বাইরে বের হচ্ছিলাম। তখন তাঁরা একটি সমস্যার কথা বলেন। তাই কথা বলতে গিয়েছিলাম। তবে তাঁরা কারা, জানি না। তাঁরা আমাকে রিকশায় করে নদীর ঘাটে নিয়ে যান। সেখানে কিছু কথা বলে চলে আসি। আমাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সত্য নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা সদর, কেডি ঘোষ রোড, জেলখানা ঘাট, খুলনা নিউমার্কেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তন্ময় কুমার মণ্ডল, জামাল উদ্দিন (এসআই), লোকমান হোসেন রিপন (ওসি), শফিকুল ইসলাম (সহকারী পুলিশ কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টা ১০ মিনিট, ৫টা, আধা ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!