📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনা আদালতে অর্থ আত্মসাত মামলায় ৩ জনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা ও অতিরিক্ত বিনাশ্রম দণ্ড

খুলনা আদালতে অর্থ আত্মসাত মামলায় ৩ জনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা ও অতিরিক্ত বিনাশ্রম দণ্ড

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত অর্থ আত্মসাত মামলায় প্রাইম ব্যাংকের খুলনা শাখার ৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে শেখ আবু রাশেদসহ তিনজনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং জরিমানা প্রদান করে। তাদের মধ্যে দুজন ছিলেন ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা

খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত অর্থ আত্মসাতের দায়ে প্রাইম ব্যাংকের খুলনা শাখার একটি বড় মামলায় তিনজন আসামিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থ জরিমানা প্রদান করেছে। আদালতের বিচারক মোহা. আদীব আলী রায় ঘোষণা করেন যে, এই তিনজন আসামির বিরুদ্ধে মোট ৩ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৬১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও, জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খুলনা আদালত অর্থ আত্মসাত মামলায় শেখ আবু রাশেদসহ তিনজনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে
  • 📌 মোট ৩ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৬১ টাকা আত্মসাতের দায়ে জরিমানা এবং অতিরিক্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান
  • 📌 আসামিদের মধ্যে দুজন ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ জহিরুল হক এবং ফরেন এক্সচেঞ্জ ইনচার্জ কাজী রবিউল ইসলাম
  • 📌 রায় ঘোষণার সময় তিন আসামির কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না, তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে
  • 📌 মামলা শুরু হয় ২০১১ সালে, অভিযোগপত্র দাখিল হয় ২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি

📰 বিস্তারিত

খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহা. আদীব আলী সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রায় ঘোষণা করেন। এই মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন শেখ আবু রাশেদ, যিনি মেসার্স মিংহুয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ও সাজেদা ওয়াহাব অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী। এছাড়াও, প্রাইম ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ জহিরুল হক এবং সাবেক ফরেন এক্সচেঞ্জ ইনচার্জ কাজী রবিউল ইসলামও আসামি ছিলেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, শেখ আবু রাশেদ এলসির মাধ্যমে পণ্য আমদানির জন্য ব্যাংকে ঋণসীমার আবেদন করেন। তখন শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন সৈয়দ জহিরুল হক। তার সুপারিশে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় রাশেদের প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০ শতাংশ মার্জিনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার এলসি অনুমোদন করে। পরে রাশেদ ভারত থেকে ১৪টি এলসির মাধ্যমে পণ্য আমদানি করেন। এসব পণ্যের মূল্য বাবদ ২ কোটি ৭৫ লাখ ৪২ হাজার ৯৪৭ টাকা ৯১ পয়সা পরিশোধ করা হয়। তবে রাশেদ পণ্য বিক্রি করে ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ করেননি।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, তিন আসামি যোগসাজশে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন। মামলা শুরু হয় ২০১১ সালের ২৯ মে দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. আমিনুল ইসলামের দায়েরকৃত অভিযোগের মাধ্যমে। ২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র দাখিল হয় এবং ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ গঠন করা হয়। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামির কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না এবং তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়াছিন আলী এসব তথ্য জানান।

"আমরা তিন আসামিকে তাদের অপরাধের জন্য দণ্ড প্রদান করেছি। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে এবং তারা আদালতে উপস্থিত না থাকায় তাদের বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ আবু রাশেদ, সৈয়দ জহিরুল হক, কাজী রবিউল ইসলাম, বিচারক মোহা. আদীব আলী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৬১ টাকা (আত্মসাত অর্থ), ৫ বছর (সশ্রম কারাদণ্ড), ২ বছর (বিনাশ্রম কারাদণ্ড)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖