📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনা আদালত: অর্থ আত্মসাত মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীকে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ৩ কোটি ১৫ লাখ জরিমানা

খুলনা আদালত: অর্থ আত্মসাত মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীকে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ৩ কোটি ১৫ লাখ জরিমানা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত অর্থ আত্মসাত মামলায় প্রাইম ব্যাংক খুলনা শাখার দুই কর্মকর্তা ও এক ব্যবসায়ীকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছে। আসামিরা ২০০৪-২০০৫ সালে ৩ কোটি টাকার ঋণ আত্মসাত করে ব্যাংককে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল

খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত অর্থ আত্মসাত মামলায় প্রাইম ব্যাংক খুলনা শাখার দুই কর্মকর্তা ও এক ব্যবসায়ীকে সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা প্রদান করেছে। বিচারক মো. আদীব আলী ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার রায় ঘোষণা করেন। আসামিরা ২০০৪-২০০৫ সালে ৩ কোটি ১৫ লাখ টাকার ঋণ আত্মসাত করে ব্যাংককে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৬১ টাকা ২৯ পয়সা জরিমানা দিয়েছে খুলনা আদালত তিন আসামিকে।
  • 📌 ২০০৪ সালের ৬ ডিসেম্বর থেকে ২০০৫ সালের ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত ১৪টি এলসির মাধ্যমে আমদানি করা পণ্যের মূল্য বাবদ ৩ কোটি টাকা আত্মসাত করা হয়।
  • 📌 অনাদায়ে প্রত্যেক আসামিকে আরও ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 ৩ আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন রায় ঘোষণার সময়। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
  • 📌 মামলা দায়ের হয় ২০১১ সালের ২৯ মে, অভিযোগপত্র ২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি দাখিল করা হয়।

📰 বিস্তারিত

খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আদীব আলী ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার রায় ঘোষণা করেন। এই মামলায় আসামিরা হলেন প্রাইম ব্যাংক খুলনা শাখার সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ জহিরুল হক ও সাবেক ফরেন এক্সচেঞ্জ ইনচার্জ কাজী রবিউল ইসলাম এবং ব্যবসায়ী শেখ আবু রাশেদ।

আদালত সূত্র জানায়, সৈয়দ জহিরুল হক ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক থাকাকালীন শেখ আবু রাশেদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে শতকরা ২০ শতাংশ মার্জিনে এক কোটি ২০ লাখ টাকার এলসি মঞ্জুর করা হয়। রাশেদ ভারত থেকে ১৪টি এলসির মাধ্যমে পণ্য আমদানি করেন। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে আর্থিক লাভবান হওয়ার আশায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০০৪ সালের ৬ ডিসেম্বর থেকে ২০০৫ সালের ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত এলসির মাধ্যমে আমদানি করা পণ্যের মূল্য বাবদ ৩ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৬১ টাকা ঋণপত্রের শর্ত ভেঙে ব্যাংকে পরিশোধ না করে আত্মসাত করেন।

২০১১ সালের ২৯ মে দুদক খুলনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম এই ঘটনায় থানায় মামলা করেন। ২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. জিয়া হায়দারের আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়।

"আদালত সূত্র জানায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে আর্থিক লাভবান হওয়ার আশায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংকে পরিশোধ না করে আত্মসাত করেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ জহিরুল হক, কাজী রবিউল ইসলাম, শেখ আবু রাশেদ, আমিনুল ইসলাম, মো. আদীব আলী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৩ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৬১ টাকা জরিমানা, ২০০৪-২০০৫, ১৪টি এলসি, ৩ কোটি টাকা আত্মসাত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖