📌 ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে এক ১৪ বছর বয়সী কিশোরীকে ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত ৩০ বছর বয়সী আসামি মো. জামালকে ফাঁসিতে ঝুলানোর রায় দিয়েছে এবং তার সম্পত্তি বিক্রি করে শিকারীকে ৫ লাখ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে
ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে এক ধর্ষণ মামলায় অন্তঃসত্ত্বা হওয়া ১৪ বছর বয়সী কিশোরীকে ধর্ষণকারী আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। আসামি মো. জামাল (৩০) এর পাশাপাশি তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ শিকারীকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ বছর বয়সী আসামি মো. জামালকে কামরাঙ্গীরচরে ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে
- 📌 শিকারী কিশোরীকে ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর তার শরীরে শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়
- 📌 আসামির সম্পত্তি বিক্রি করে শিকারীকে ৫ লাখ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 মামলায় ৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং আসামিকে কারাগারে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে
- 📌 মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন নিতে হবে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। আসামি মো. জামালকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে বলে আদালতের রায়ে বলা হয়েছে। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন নিতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার আগে পুলিশ কারাগার থেকে আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে। রায় ঘোষণার পর আবার তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামি জামাল ও কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা কামরাঙ্গীরচর এলাকায় বসবাস করতেন। আসামি তার স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন এবং তার শরীরে নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে ২০২৪ সালে শিকারীর মা বাদী হয়ে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
বিচার চলাকালে ৯ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য প্রদান করেন। মামলায় উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আসামি ও তার সহযোগীরা গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করতেন এবং পরে ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে কৃত্রিম আঙুলের ছাপ তৈরি করে নতুন সিম তুলতেন।
"আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কামরাঙ্গীরচর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জামাল (৩০), বিচারক মাসরুর সালেকীন, শিকারী কিশোরী (১৪)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ টাকা জরিমানা, ১৪ বছর বয়সী কিশোরী, ৯ জন সাক্ষী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!