📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডে ইকবাল হোসাইন হত্যা বন্ধের চেষ্টা করেননি: ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের অভিযোগ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডে ইকবাল হোসাইন হত্যা বন্ধের চেষ্টা করেননি: ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের অভিযোগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যাত্রাবাড়ী কাজলায় পুলিশের গুলিতে নিহত তাইমের মামলায় ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক শুরু হয়। প্রসিকিউশন দাবি করে, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ইকবাল হোসাইন হত্যা বন্ধের চেষ্টা করেননি এবং ‘গুলি করি, মরে একটা’ বলে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন। মামলায় ১১ জন আসামির মধ্যে ৯ জন পলাতক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত তাইমের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ যুক্তিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রসিকিউশনের দাবি, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইন হত্যা বন্ধের কোনো চেষ্টা করেননি এবং ‘গুলি করি, মরে একটা’ বলে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জুলাই ২০২৪ গণ-অভ্যুত্থানে যাত্রাবাড়ী কাজলায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন তাইম (ইমাম হাসান)।
  • 📌 ইকবাল হোসাইন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে ফোনে বলেন, ‘গুলি করি, মরে একটা, বাকিডি যায় না’।
  • 📌 ১১ জন আসামির মধ্যে ৯ জন পলাতক — তাদের মধ্যে সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ।
  • 📌 ২৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে এই মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায়।
  • 📌 ২ জন আসামি কারাগারে — যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসান ও সাবেক এসআই মো. শাহদাত আলী।

📰 বিস্তারিত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী কাজলায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন তাইম (ইমাম হাসান)। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকালে ২০২৪ সালের ২০ জুলাই ইমাম যাত্রাবাড়ীর কাজলা পদচারী–সেতুর কাছে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ইমাম ছিলেন নারায়ণগঞ্জের সরকারি আদমজী নগর এমডব্লিউ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আজ সোমবার এই মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হয়। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। যুক্তিতর্কে প্রসিকিউশন জানায়, ঘটনার সময় কেউ পুলিশের বিরুদ্ধে কথাও বলেননি। তারপরও পুলিশ সদস্যরা তাইমকে গুলি করেন। এমনকি একজন উদ্ধার করার চেষ্টা করা ব্যক্তিকেও গুলি করে পুলিশ। সেই ব্যক্তি তাইমকে রেখে প্রাণভয়ে দৌড় দেন।

মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইন (ওয়ারী বিভাগের সাবেক উপকমিশনার) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ইকবাল হোসাইন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে ফোনে বলেন, ‘গুলি করি, মরে একটা, বাকিডি যায় না’। যুক্তিতর্কে এই ভিডিও আজ দেখানো হয়। প্রসিকিউশন দাবি করে, ইকবালের এ কথার মাধ্যমে বোঝা যায়, হত্যা চলছে এবং তিনি হত্যা বন্ধ করার কোনো চেষ্টা করেননি।

"গুলি করি, মরে একটা, বাকিডি যায় না"

মামলায় ১১ আসামির মধ্যে ৯ জন পলাতক। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, ওয়ারী বিভাগের সাবেক উপকমিশনার মো. ইকবাল হোসাইন, ডেমরা অঞ্চলের সাবেক উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান, ওয়ারী অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার এস এম শামীম, সাবেক সহকারী কমিশনার নাহিদ ফেরদৌস, সাবেক পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাকির হোসাইন, সাবেক পরিদর্শক (অপারেশন) মো. ওহিদুল হক ও সাবেক উপপরিদর্শক সাজ্জাদ উজ জামান। কারাগারে আছেন দুই আসামি — যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসান ও সাবেক এসআই মো. শাহদাত আলী।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (যাত্রাবাড়ী কাজলা), নারায়ণগঞ্জ (আদমজী নগর এমডব্লিউ কলেজ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুল ইসলাম (প্রসিকিউটর), মো. ইকবাল হোসাইন (সাবেক উপকমিশনার), তাইম (ইমাম হাসান), বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ জন আসামি, ৯ জন পলাতক, ২ জন কারাগারে, ২৬ জন সাক্ষী, ২০ জুলাই ২০২৪

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖