📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জিয়াউর রহমান হত্যার পর লাশ পাহাড়ে নিয়ে যান মোজাফফর: প্রসিকিউটর উন্মোচিত নতুন তথ্য

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: জিয়াউর রহমান জিয়াউর রহমান মূল
জিয়াউর রহমান হত্যার পর লাশ পাহাড়ে নিয়ে যান মোজাফফর: প্রসিকিউটর উন্মোচিত নতুন তথ্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার পর তার লাশ পাহাড়ে নিয়ে যান মেজর মোজাফফর হোসেন। প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জানান, মতিউর রহমানের নির্দেশে মোজাফফর লাশ পাহাড়ে নিয়ে যান কিন্তু ইমামকে ডেকে লাশ দাফন করেন। মোজাফফর ১৯৯৭-৯৮ সালে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে সেনাবাহিনীতে যোগদানের প্রস্তাব পান

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর তার লাশ পাহাড়ে নিয়ে যান মেজর মোজাফফর হোসেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জানান, মোজাফফর জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন যে, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মতিউর রহমানের নির্দেশে তিনি লাশ পাহাড়ে নিয়ে যান। তবে লাশ পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়ার পরিবর্তে একজন ইমামকে ডেকে তিনজনের লাশ একটি কবরে দাফন করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর তার লাশ পাহাড়ে নিয়ে যান মেজর মোজাফফর হোসেন।
  • 📌 ১৩ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর স্বীকার করেন, মতিউর রহমানের নির্দেশে তিনি লাশ পাহাড়ে নিয়ে যান, কিন্তু ইমামকে ডেকে লাশ দাফন করেন।
  • 📌 ১৫ জুলাই ২০২৬ মোজাফফরকে রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
  • 📌 ১৯৯৭ বা ১৯৯৮ সালে মোজাফফর শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে সেনাবাহিনীতে যোগদানের প্রস্তাব পান।
  • 📌 মোজাফফরের বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্ট রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জানান, মোজাফফর হোসেনের জিজ্ঞাসাবাদে উন্মোচিত হয় যে, তিনি ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর লাশ পাহাড়ে নিয়ে যান। তবে মতিউর রহমানের নির্দেশে তিনি লাশ পাহাড়ে নিয়ে যান, কিন্তু লাশ পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়ার পরিবর্তে একজন ইমামকে ডেকে জিয়াউর রহমানসহ তিনজনের লাশ একটি কবরে দাফন করেন। ইমামকে বলা হয়নি যে, এটি রাষ্ট্রপতির লাশ।

প্রসিকিউটর তানভীর হাসান বলেন, মোজাফফর জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন যে, তিনি ১৯৯৭ বা ১৯৯৮ সালে দেশে ফিরে আসেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার জন্য তিনি চেষ্টা করছিলেন। সিরাজগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবে মিল্লাতের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার ব্যবস্থা হয়। মোজাফফর জানান, তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা করেন। সেখানে শেখ হাসিনা তাকে সেনাবাহিনীতে যোগদানের পরামর্শ দেন এবং স্যালুট করার পর তিনি আত্মসমর্পণ করেন। তবে তার যোগদান গ্রহণ হয়নি বা দেরি হয়। পরে তিনি বাংলাদেশে সাধারণ ব্যবসা-বাণিজ্যে লিপ্ত হন।

মোজাফফর হোসেনের বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্ট রয়েছে। প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জানান, মোজাফফর ১৯৮১ সালের হত্যাকাণ্ডের পর থেকে লুকিয়ে ছিলেন। তবে ২০২৬ সালের ১৫ জুলাই তাকে রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

"মোজাফফর জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (সাবেক) মতিউর রহমান তাঁকে জিয়াউর রহমানের লাশ পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে একজন ইমামকে ডেকে এনে জিয়াউর রহমানসহ তিনজনের লাশ একটি কবরে দাফন করেন তাঁরা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস, পাহাড়, রাজধানীর বনানী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর মোজাফফর হোসেন, প্রসিকিউটর তানভীর হাসান, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মতিউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ মে ১৯৮১, ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০ টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖