📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঝিনাইদহে শিশু হত্যার মামলায় নারী আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: বিচারক ঘোষণা করেন ২০ হাজার টাকার জরিমানাও

ঝিনাইদহে শিশু হত্যার মামলায় নারী আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: বিচারক ঘোষণা করেন ২০ হাজার টাকার জরিমানাও

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঝিনাইদহের পবহাটি গ্রামে সাড়ে তিন বছরের শিশু সাইমা আক্তার সাবার হত্যার মামলায় আসামি শান্তনা খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকার জরিমানার রায় দিয়েছেন আদালত। বিচারক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রায় ঘোষণা করেন

ঝিনাইদহের পবহাটি গ্রামে সাড়ে তিন বছরের শিশু সাইমা আক্তার সাবার হত্যার মামলায় আসামি নারী শান্তনা খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকার জরিমানার রায় দিয়েছেন ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালত। বিচারক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রায় ঘোষণা করেন। এই রায়ে আদালত শান্তনা খাতুনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে স্বীকারোক্তি প্রদানের কারণে অতিরিক্ত ছয় মাসের কারাদণ্ডও প্রদান করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঝিনাইদহের পবহাটি গ্রামে সাড়ে তিন বছরের শিশু সাইমা আক্তার সাবার হত্যার মামলায় শান্তনা খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  • 📌 আদালত ২০ হাজার টাকার জরিমানার পাশাপাশি জবানবন্দিতে অসত্য বলার কারণে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান
  • 📌 ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর সকালে সাবা খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে পড়েন, রাত সাড়ে ৮টায় শান্তনা খাতুনের ঘরে লাশ উদ্ধার
  • 📌 মামলায় ২৭ জন সাক্ষী এবং ২৭ দিনের তদন্তের পর অভিযোগ প্রমাণিত
  • 📌 পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এস এম মশিউর রহমান এবং অতিরিক্ত পিপি কাজী একরামুল হক আলম মামলা পরিচালনা করেন

📰 বিস্তারিত

২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঝিনাইদহের পবহাটি গ্রামে সাইদুল ইসলামের সাড়ে তিন বছরের মেয়ে সাইমা আক্তার সাবা খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান। সাবার বাবা ঝিনাইদহ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশ ও স্থানীয়রা দিনভর সাবার সন্ধান খোঁজেন, কিন্তু কোনো ফলাফল না পেয়ে রাত সাড়ে ৮টায় শান্তনা খাতুনের ঘরে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর শান্তনা খাতুনের জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাকে আটক করা হয় এবং পরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার তদন্ত শেষে ঝিনাইদহ সদর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মনোজ কুমার ঘোষ ২৭ দিনের মাথায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় মোট ২৭ জন সাক্ষী রাখা হয়। বিচারিক কার্যক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এস এম মশিউর রহমান ও অতিরিক্ত পিপি কাজী একরামুল হক আলম এবং রাষ্ট্রকর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে অ্যাডভোকেট আশরাফ জোয়ার্দ্দার মামলা পরিচালনা করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত শান্তনা খাতুনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন।

শান্তনা খাতুন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে স্বীকার করেন যে, ঘটনার দিন তার ছেলে আবু জুবায়েরের সাথে খেলতে গিয়ে সাবার মারামারি হয়। একপর্যায়ে সাবার মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে লাশ ঘরের ভেতর লুকিয়ে রাখা হয়।

"আমি সাবাকে হত্যা করেছি। তার মাথায় আঘাত করলে সে মারা যায়। পরে লাশ লুকিয়ে রাখা হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঝিনাইদহ, পবহাটি গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শান্তনা খাতুন, বিচারক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, মনোজ কুমার ঘোষ, সাইদুল ইসলাম, সাইমা আক্তার সাবা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার টাকা জরিমানা, ৬ মাস অতিরিক্ত কারাদণ্ড, ২৭ জন সাক্ষী, ২৭ দিন তদন্তকাল, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖