📌 ঝিনাইদহের বলুহর বাঁওড় মাছ প্রকল্পে সাবেক ব্যবস্থাপক মোল্যা নুরুল আবছারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। আদালত তাঁর বিরুদ্ধে আত্মসাতকৃত অর্থের জন্য মামলায় রায় দিয়েছে। পলাতক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার বলুহর বাঁওড় মাছ প্রকল্পে সরকারি অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাবেক ব্যবস্থাপক মোল্যা নুরুল আবছারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১৯ লাখ ৮৭ হাজার ৬৬৩ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। আদালত তাঁর বিরুদ্ধে আত্মসাতকৃত অর্থের জন্য মামলায় রায় ঘোষণা করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঝিনাইদহের বলুহর বাঁওড় মাছ প্রকল্পে সাবেক ব্যবস্থাপক মোল্যা নুরুল আবছারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১৯ লাখ ৮৭ হাজার ৬৬৩ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে।
- 📌 আদালত আত্মসাতকৃত অর্থের পরিমাণ ১৯ লাখ ৮৭ হাজার ৬৬৩ টাকা জরিমানা হিসেবে বাজেয়াপ্তের আদেশ দিয়েছে।
- 📌 মোল্যা নুরুল আবছার চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা থানার ঘোষবিলা গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছে।
- 📌 আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার নির্দেশ দিয়েছে।
- 📌 মাছ বিক্রির অর্থের ৬০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু মোল্যা নুরুল আবছার ৫ লাখ ৯৯ হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন।
📰 বিস্তারিত
যশোরের স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) এস এম নূরুল ইসলাম আজ সোমবার বিকেলে রায় ঘোষণা করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর সিরাজুল ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, মোল্যা নুরুল আবছারকে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত তাঁর বিরুদ্ধে মামলায় রায় দিতে গিয়ে উল্লেখ করেছে যে, ২০০২-০৩ অর্থবছরে বলুহর বাঁওড়ে মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২১১ মেট্রিক টন। ওই অর্থবছরে মোট ৭০ লাখ টাকা আয় হয়েছিল, কিন্তু মোল্যা নুরুল আবছার সরকারি অংশের ৫ লাখ ৯৯ হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন।
তদন্তে দেখা যায়, মোল্যা নুরুল আবছার বাঁওড় অফিসের গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র সরিয়ে ফেলেছেন বা বিনষ্ট করেছেন। এতে ক্যাশবুক, মাছ আহরণ ও হিসাব দানের বই, আদায়ের রসিদ বই, ট্রেজারি চালান ও বিভিন্ন প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত ছিল। দুদকের কর্মকর্তা মো. ওয়াজেদ আলী গাজী তদন্ত শেষে নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
বিচারক মোল্যা নুরুল আবছারকে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ২০১ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে দণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড এবং আত্মসাতকৃত অর্থের জরিমানা হিসেবে ১৯ লাখ ৮৭ হাজার ৬৬৩ টাকা বাজেয়াপ্তের আদেশ দিয়েছেন।
"সংসদ অধিবেশন শেষ হওয়ার পরই সরকার দাম বাড়িয়েছে, যাতে বিরোধী দলের জবাবদিহির মুখে পড়তে না হয়।"
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-৩ আসনের এমপি মাহবুবুর রহমান বেলালের মন্তব্য অনুযায়ী, সরকার জ্বালানি তেলের দাম তিন দফা বাড়িয়ে ‘হ্যাটট্রিক’ করেছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা, বলুহর বাঁওড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোল্যা নুরুল আবছার, বিচারক এস এম নূরুল ইসলাম, পাবলিক প্রসিকিউটর সিরাজুল ইসলাম, কর্মকর্তা মো. ওয়াজেদ আলী গাজী, এমপি মাহবুবুর রহমান বেলাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর কারাদণ্ড, ১৯ লাখ ৮৭ হাজার ৬৬৩ টাকা জরিমানা, ২১১ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা, ৭০ লাখ টাকা মোট আয়, ৬০ শতাংশ সরকারি অংশ, ৫ লাখ ৯৯ হাজার টাকা আত্মসাত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!