📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জয়পুরহাট হাসপাতালে চিকিৎসকের মারধর অভিযোগ: রিপোর্ট দেখাতে গিয়ে স্বজনকে আঘাত পেতে বাধ্য

জয়পুরহাট হাসপাতালে চিকিৎসকের মারধর অভিযোগ: রিপোর্ট দেখাতে গিয়ে স্বজনকে আঘাত পেতে বাধ্য

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জয়পুরহাটের ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক ও সহযোগীরা রোগীর রিপোর্ট দেখাতে আসা স্বজনকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৭ বছর বয়সী ভাতিজীর চিকিৎসার জন্য গিয়ে হাদুয়াল মামুনকে আঘাত পেতে বাধ্য করা হয়, যার ফলে তাঁর শরীরে আঘাত ও রক্তপাত হয়। অভিযোগপত্র দাখিলের পাশাপাশি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি

জয়পুরহাটের ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে মারধর অভিযোগ উঠেছে। রোগীর রিপোর্ট দেখাতে গিয়ে স্বজনকে আঘাত পেতে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মো. হাদুয়াল মামুন। ঘটনাটি ঘটে গত রোববার (৪ অক্টোবর) হাসপাতালের বহির্বিভাগে। হাদুয়াল মামুন জয়পুরহাট সদর উপজেলার সবুজনগর এলাকার বাসিন্দা। তাঁর অভিযোগ, ১৭ বছর বয়সী অসুস্থ ভাতিজী সাদিয়া আফরিন শিফার চিকিৎসার জন্য গিয়ে রিপোর্ট দেখাতে গিয়ে তাঁকে মারধর করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক ডা. মুনিম রমিম ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে মারধর অভিযোগ দাখিল করেছেন মো. হাদুয়াল মামুন।
  • 📌 হাদুয়ালের শরীরে আঘাতের কারণে ডান হাতের বুড়ো আঙুল ও বাম হাতের কনুইয়ের নিচে রক্তপাত হয়।
  • 📌 রোগীকে দেখার সময় চিকিৎসক ও সহযোগীরা হাদুয়ালকে বহির্বিভাগ থেকে প্রশাসনিক ব্লকের গেটের ভেতরে নিয়ে যান এবং মারধর করেন।
  • 📌 অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. মুনিম রমিম বলেছেন, হাদুয়ালের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার হয়েছিল এবং তাঁকে টর্চার করা হয়েছিল।
  • 📌 জেলা সিভিল সার্জন ডা. মামুন বলেছেন, অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

মো. হাদুয়াল মামুন গত ১ অক্টোবর অসুস্থ ভাতিজীকে নিয়ে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান। বহির্বিভাগের ২৩৫ নম্বর কক্ষে দায়িত্বে থাকা সিনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন) ডা. মুনিম রমিম রোগীকে দেখে কিছু পরীক্ষা দেন। পরীক্ষার প্রতিবেদন নিয়ে আবার হাসপাতালে আসতে বলেন তিনি। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোববার রিপোর্ট নিয়ে হাসপাতালে যান হাদুয়াল ও তাঁর ভাতিজী। কিন্তু চিকিৎসক কক্ষে ছিলেন না। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর চিকিৎসক এলে রিপোর্ট দেখানোর অনুরোধ করেন হাদুয়াল। এ সময় চিকিৎসক তাঁর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে হাদুয়াল ভাতিজীকে নিয়ে চিকিৎসকের কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। পরে বিষয়টি হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও)-কে জানানোর চেষ্টা করেন বলে দাবি করেন হাদুয়াল।

হাদুয়ালের অভিযোগ, দুপুরের দিকে বহির্বিভাগ থেকে চিকিৎসক ও তাঁর সঙ্গে থাকা আরও তিন ব্যক্তি তাঁকে অনুসরণ করে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকের গেটের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে মারধর করা হয়। হাদুয়াল বলেন, ‘মারধরের একপর্যায়ে তাঁর ডান হাতের বুড়ো আঙুল ও বাম হাতের কনুইয়ের নিচে আঘাত লেগে রক্তপাত হয়। শরীরের বিভিন্ন স্থানেও আঘাত লাগে। এ সময় আতঙ্কে তাঁর অসুস্থ ভাতিজী ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয় পরিচিত মজনু, আব্দুর রহিম ও গোলজারসহ কয়েকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।’

হাদুয়াল বলেন, ‘হাসপাতালের মতো জায়গায় সরকারি চিকিৎসাসেবা নিতে এসে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হব, কখনো ভাবিনি। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলেই ঘটনার সত্যতা বেরিয়ে আসবে। আমি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

"উনি আমাদের অফিস সময়ের পরে এসেছিলেন। এজন্য তাঁকে পরের দিন আসার অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তিনি তখন আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন এবং যাওয়ার সময়ও খারাপ কথা ও গালিগালাজ করেন। গালিগালাজের পরিমাণটা বেশি ছিল। তাঁকে নিয়ে আমরা অফিসের দিকে যাচ্ছিলাম। যাওয়ার পথে একটু টর্চার করছিলাম, এইটুকুই।"

অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. মুনিম রমিমের মন্তব্য, ‘উনি একজনের রুমে এসে গালিগালাজ করে চলে যাবেন, এটা অন্যায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসলে বিষয়টি ভিন্ন ছিল। তিনি ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সেটা করতে চেয়েছেন।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল, বহির্বিভাগ ও প্রশাসনিক ব্লক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. হাদুয়াল মামুন, ডা. এস. এম. মুনিম রমিম, সাদিয়া আফরিন শিফা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, ১৭ বছর বয়সী ভাতিজী, ২৩৫ নম্বর কক্ষ, ৪ অক্টোবর, ৯ টা বাজে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖