📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য: বাড্ডা গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ নবী হোসেন মেনন ও কামরুলকে দায়ী করেন

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য: বাড্ডা গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ নবী হোসেন মেনন ও কামরুলকে দায়ী করেন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মেরুল বাড্ডায় গুলিবিদ্ধ হওয়া নবী হোসেন আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি রাশেদ খান মেনন ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামকে ঘটনায় সরাসরি দায়ী করেছেন। সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি নিজের শরীরে এখনো ১৫০টি পিলেটের চিহ্ন দেখিয়েছেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মেরুল বাড্ডায় গুলিবিদ্ধ হওয়া নবী হোসেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি সাবেক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামকে ঘটনায় সরাসরি দায়ী করেছেন। আজ মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে এই জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নবী হোসেন আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মেরুল বাড্ডায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা বর্ণনা করে।
  • 📌 তিনি রাশেদ খান মেননকামরুল ইসলামকে ঘটনায় সরাসরি দায়ী করেছেন।
  • 📌 সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি নিজের শরীরে ১৫০টি পিলেট দেখিয়ে ট্রাইব্যুনালকে জানান।
  • 📌 ৫ আগস্ট ২০২৪-এ মেরুল বাড্ডার ১৫ নম্বর সড়কে আন্দোলনকালে তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
  • 📌 ১৯ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে উত্তর বাড্ডায় একজন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে একজন এবং মধ্য বাড্ডায় একজন নিহত হন।

📰 বিস্তারিত

পেশায় গ্রিলমিস্ত্রি নবী হোসেন ট্রাইব্যুনালে বলেন, সরকার জুলাই যোদ্ধাদের যে গেজেট প্রকাশ করেছে, সেখানে তার নাম ‘সি’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে। তিনি ৫ আগস্ট ২০২৪-এ মেরুল বাড্ডার ১৫ নম্বর সড়কে আন্দোলনে অংশ নেন। দুপুরে শিক্ষার্থীরা মূল সড়কে যেতে চাইলে পুলিশ সড়কটি ঘিরে রাখে। বিক্ষোভকারীরা মূল সড়কে উঠলে পুলিশ, র‌্যাব, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের লোকজন তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন।

সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি নিজের শরীরে থাকা গুলির চিহ্ন ট্রাইব্যুনালকে দেখান। তিনি বলেন, “আমার শরীরে এখনো প্রায় ১৫০টি পিলেট রয়েছে।” ১৯ জুলাইয়ের নৃশংসতার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, সেদিন উত্তর বাড্ডায় একজন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে একজন এবং মধ্য বাড্ডায় একজন নিহত হন। আহত হন অনেক মানুষ। তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আহত ব্যক্তিদের রিকশা ও ভ্যানে তুলে হাসপাতালে পাঠান। তবে রাস্তায় প্রচুর রক্ত দেখে অসুস্থ বোধ করায় একপর্যায়ে বাসায় ফিরে যান।

নবী হোসেন ঘটনায় মেনন ও কামরুলের পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও দায়ী করেছেন। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেছেন।

"আমি বাড্ডায় গুলিবিদ্ধ হই, দায়ী মেনন–কামরুল"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মেরুল বাড্ডা, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নবী হোসেন, রাশেদ খান মেনন, কামরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০টি পিলেট, ১৫ নম্বর সড়ক, ৫ আগস্ট ২০২৪

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖