📌 ঢাকার রামপুরায় ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা গুলি করে হত্যা করেন আমির হোসেনকে। তার স্ত্রী আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন এবং অভিযোগ করেছেন, তার স্বামীর মাথায় গুলি চালিয়ে সড়কেই মৃত্যুবরণ করান। মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল হয়েছে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চে ৫ অক্টোবর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা গুলি করে হত্যা করে আমির হোসেনকে। তার স্ত্রী সোমবার (৫ অক্টোবর) আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন এবং অভিযোগ করেছেন, তার স্বামীকে মাথায় গুলি করে সড়কেই মৃত্যুবরণ করান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর রামপুরায় পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা গুলি করে হত্যা করেন আমির হোসেনকে।
- 📌 তার স্ত্রী জবানবন্দিতে বলেন, গুলি তার মাথার পেছন দিয়ে ঢুকে চোয়াল দিয়ে বেরিয়ে যায়।
- 📌 মামলায় বিজিবির লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত বিন আলম গ্রেপ্তার, পলাতক মো. রাশেদুল ইসলাম ও মো. মশিউর রহমান।
- 📌 ২৮ জনের মৃত্যু ও বহু আহতের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা দাখিল করা হয়েছে।
- 📌 জবানবন্দি নেওয়া হয় ১৪ নম্বর সাক্ষী হিসেবে তার স্ত্রীর।
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে আমির হোসেনের স্ত্রীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই তার স্বামী জুমার নামাজের পর আন্দোলনে যোগ দেন। রামপুরার একরামুন্নেছা স্কুলের সামনে পৌঁছালে তার মাথার পেছন দিয়ে গুলি ঢুকে চোয়াল দিয়ে বেরিয়ে যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সড়কেই তার মৃত্যু হয়।
জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা তার স্বামীকে গুলি করেন। এ ঘটনায় বিজিবির লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত বিন আলম গ্রেপ্তার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে রয়েছেন। পলাতক আসামিরা হলেন—ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা এলাকায় ২৮ জন নিহত হন এবং বহু আহত হন। এ ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তদন্ত সংস্থা তদন্ত শুরু করে। তদন্ত শেষে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম, মেজর মো. রাফাত বিন আলম, মো. রাশেদুল ইসলাম ও মো. মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়।
"আমির হোসেনের স্ত্রী: 'পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা আমার স্বামীকে গুলি করে সড়কেই মৃত্যুবরণ করান। তার মাথার পেছন দিয়ে গুলি ঢুকে চোয়াল দিয়ে বেরিয়ে যায়।'"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, রামপুরা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমির হোসেনের স্ত্রী, বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী, লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম, মেজর মো. রাফাত বিন আলম, মো. রাশেদুল ইসলাম, মো. মশিউর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ জন নিহত, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ নম্বর সাক্ষী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!