📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গুমের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ আসামির সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছে ১৩ অক্টোবর। সাক্ষী না আসার কারণে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ বদলে দেওয়া হয়
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গুমের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছে ১৩ অক্টোবর। সাক্ষী না আসার কারণে মামলার সাত নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ বদলে দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ১৩ অক্টোবর নির্ধারণ করেছে শেখ হাসিনাসহ ১৭ আসামির সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ
- 📌 সাক্ষী না আসায় ১ অক্টোবর নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ বদলে ১৩ অক্টোবর করা হয়
- 📌 মামলায় ১০ আসামি ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে আছেন, বাকি ৭ আসামি পলাতক
- 📌 ২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেওয়া হয়। এই মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে র্যাবের টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ মোট ১৭ আসামির বিরুদ্ধে বিচার চলছে।
মামলার ১০ আসামি ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে আছেন। তাদের মধ্যে রয়েছে র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।
বাকি ৭ আসামি পলাতক। তাদের মধ্যে রয়েছে শেখ হাসিনা, তার সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, এম খুরশীদ হোসেন, মো. হারুন অর রশিদ এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।
"২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর বিচার শুরু হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা, ১৭ আসামি (১০ ঢাকায়, ৭ পলাতক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ আসামি, ১৩ অক্টোবর, ১০ আসামি ঢাকায়, ৭ আসামি পলাতক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!