📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে ৭০টি মামলা, ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড: প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন

পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে ৭০টি মামলা, ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড: প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুই বছরে ৭০টি মামলা নিবন্ধিত হয়েছে,其中 ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন জানিয়েছেন, ৫৫৮ জন আসামির মধ্যে ২০ জন সাজা ভোগ করছেন, ৪১ জন পলাতক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের বিবরণ দেন তিনি

পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুই বছরে ৭০টি মামলা নিবন্ধিত হয়েছে, যার মধ্যে ২৬টি মামলার বিচার চলছে এবং ৭টি মামলায় রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এসব রায়ে মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২২ জন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন এই তথ্য জানিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে এখন পর্যন্ত ৭০টি মামলা নিবন্ধিত, ৫৫৮ জন আসামি
  • 📌 ২৬টি মামলার বিচার চলছে, ৭টি মামলায় রায় ঘোষণা — ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড
  • 📌 ৬৩ জন সাজা পেয়েছেন, ২০ জন সাজা ভোগ করছেন, ৪১ জন পলাতক
  • 📌 একটি মামলার বিচার শেষ হতে গড়ে ৭-৮ মাস সময় লাগছে
  • 📌 ২০১০ সালে গঠিত পুরাতন ট্রাইব্যুনালের প্রথম মামলায় ১ মাস ২১ দিনে বিচার শেষ হয়েছিল
  • 📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হয় ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর
  • 📌 ট্রাইব্যুনালের প্রথম দিকে কার্যক্রম শুরু হয়েছিল টিনশেড ভবনে

📰 বিস্তারিত

প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম বলেছেন, ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যাত্রা শুরু করে। সেই সময় বাংলাদেশ ছিল একটি ‘ভঙ্গুর জনপদ’। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টায় ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠিত হয়। প্রথমে কার্যক্রম শুরু হয়েছিল টিনশেড ভবনে, পরে ভবন সংস্কার করে বিচারকাজ শুরু করা হয়।

বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে একটি মামলার বিচার শেষ হতে গড়ে সাত থেকে আট মাস সময় লাগছে। তদন্তের ক্ষেত্রেও সময়ের পার্থক্য রয়েছে — কোনো মামলায় এক বছর, কোনো মামলায় দেড় বছর, আবার কোনো মামলায় ছয় থেকে সাত মাস সময় লাগছে। প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সময় নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রসিকিউটর বলেছেন, আসামিপক্ষের অভিযোগ, ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচার করা হচ্ছে। অন্যদিকে ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের অভিযোগ, বিচারের প্রক্রিয়ায় দেরি হচ্ছে। তবে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আইন অনুযায়ী যতটুকু সময় নেওয়া প্রয়োজন, ততটুকুই নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেছেন।

২০১০ সালের ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আগে গঠিত সেই ট্রাইব্যুনালের প্রথম মামলায় ২০১২ সালের ৪ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি প্রথম রায় ঘোষণা করা হয়। আবুল কালাম আজাদের ওই মামলায় বিচারকাজ সম্পন্ন হয়েছিল মাত্র ১ মাস ২১ দিনে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা একটি মামলায় আজ ষষ্ঠ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। প্রসিকিউটর বলেছেন, ২০১০ সালে তৎকালীন আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এই ট্রাইব্যুনাল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। আজ তিনি সেই ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

"কারও ওপর যেন অবিচার না হয় এবং কাউকে যেন অন্যায়ভাবে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে না হয় — প্রত্যেকের মনে রাখা উচিত"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাশেদ খান মেনন, কামরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০টি মামলা, ৫৫৮ জন আসামি, ২৬টি চলমান মামলা, ৭টি রায়, ২২ জন মৃত্যুদণ্ড, ৬৩ জন সাজা পেয়েছেন, ২০ জন সাজা ভোগ করছেন, ৪১ জন পলাতক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖