📌 গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালত আবার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। পুলিশের দাবিতে আসামিকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাচারের অভিযোগে রিমান্ড বাড়ানো হয়েছে
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সাথে তথ্য পাচারের অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালত আবার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মামলার শুনানিতে পুলিশের দাবিতে আদালত রিমান্ড বাড়িয়ে দিয়েছে। আসামিকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানোর চেষ্টা করার অভিযোগে রিমান্ডের আবেদন করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ পিয়াস রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির মামলায়।
- 📌 পুলিশের দাবিতে আসামিকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাচারের অভিযোগে রিমান্ড বাড়ানো হয়েছে।
- 📌 সাতক্ষীরা ভোমরা বন্দর দিয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে প্রবেশ করে রবিউল ইসলাম ১৫ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানোর চেষ্টা করেছেন।
- 📌 পাসপোর্টে জন্মস্থান সৌদি আরব উল্লেখ থাকলেও আসামির জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায়।
- 📌 ১০-১২ বছর ধরে বাংলাদেশে যাতায়াত করে আসামি গুপ্তচরবৃত্তি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ।
📰 বিস্তারিত
মামলার শুনানিতে পুলিশের পক্ষ থেকে গোয়েন্দা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মো. নুর আলম রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে আবার তিন দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। তিনি দাবি করেন, আসামির কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া পাসপোর্ট ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্মতারিখে অমিল রয়েছে। আসামির পাসপোর্টে সৌদি আরবের রিয়াদ উল্লেখ থাকলেও তার জন্ম ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার গোঁড়িবোজ গ্রামে। পুলিশের দাবি, আসামি গত ১৪ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ১৫ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানোর চেষ্টা করেছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন ও হারুন অর রশিদ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মোমেন মিয়া রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। তবে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে আবার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন বলেন, আসামির বিরুদ্ধে দ্য অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩-এর পৃথক ধারায় অপরাধ প্রতীয়মান হয়েছে। তিনি বাংলাদেশে কোনো গভীর ষড়যন্ত্র বা বাংলাদেশবিরোধী কোনো বড় চক্রের অংশ হিসেবে কাজ করছিল কিনা, তা যাচাই এবং মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে নিবিড় পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।
"আসামির জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার মাটিয়া থানার গোঁড়িবোজ গ্রামে। তাকে ডিএমপির একটি জিডির সূত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, উত্তরা পশ্চিম থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবিউল ইসলাম (ভারতীয় নাগরিক), মো. হাসিব উল্লাহ পিয়াস, মো. নুর আলম, মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন, হারুন অর রশিদ, আব্দুল মোমেন মিয়া, মেজবাহ উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দিনের রিমান্ড, ৫৪ ধারা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৫-২২ সেপ্টেম্বর, ১০-১২ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!