📌 গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামকে আরো ৭ দিনের রিমান্ডে নিতে পুলিশ আবেদন করেছে। মেট্রোপলিটন আদালতে তদন্ত কর্মকর্তা ও রমনা গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক মো. নূর আলম এই দাবি জানিয়েছেন। এ পর্যন্ত রবিউলকে মোট ১৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামকে আরো ৭ দিনের রিমান্ডে নিতে পুলিশ আবেদন করেছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল্লাহ পিয়াসের আদালতে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রবিউলের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রমনা গোয়েন্দা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মো. নূর আলম এই আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পুলিশ রবিউল ইসলামকে আরো ৭ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে।
- 📌 মোট ১৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে রবিউলকে — এর মধ্যে সর্বশেষ ৭ দিনের রিমান্ড ৮ অক্টোবর আদালতে অনুমোদিত হয়নি।
- 📌 রবিউলকে ১০ থেকে ১২ বছরে ১৫ বার বেশি বাংলাদেশে আসা-যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, কিন্তু তিনি কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
- 📌 পুলিশের দাবি, রবিউল ভারতীয় নাগরিক হলেও তার পাসপোর্টে জন্মস্থান হিসেবে সৌদি আরবের রিয়াদ উল্লেখ রয়েছে।
- 📌 রবিউলকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি ও তথ্য বিদেশে পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য।
- 📌 পুলিশের অভিযোগ, রবিউল গুপ্তচরবৃত্তিতে জড়িত ছিলেন এবং বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য পাচার করেছেন।
📰 বিস্তারিত
রবিউল ইসলামের মামলায় পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে রবিউলকে ১০ থেকে ১২ বছরে ১৫ বারের বেশি বাংলাদেশে আসা-যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। তিনি কখনো ট্যুরিস্ট ভিসা, আবার কখনো বিজনেস ভিসায় বাংলাদেশে এসেছেন। তবে এসব সফরের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বলে দাবি পুলিশের। রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার দেওয়া তথ্যে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে এবং তার বক্তব্য ছিল ভাঙা ভাঙা। ফলে বাংলাদেশে তার নিয়মিত যাতায়াতের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশের অভিযোগ, রবিউল ভারতীয় নাগরিক হলেও তার পাসপোর্টে জন্মস্থান হিসেবে সৌদি আরবের রিয়াদ উল্লেখ রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ১০ থেকে ১২ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে আসা-যাওয়া করার কথা জানিয়েছেন। পুলিশ আরও অভিযোগ করেছে, ব্যবসার কথা বলে বাংলাদেশে এসে রবিউল গুপ্তচরবৃত্তিতে জড়িত ছিলেন এবং বিদেশি সংস্থার কাছে তথ্য পাচার করেছেন। বাংলাদেশে অবস্থানকালে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও সংরক্ষিত এলাকার ছবি এবং সরকারি নথি বা তথ্য বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানোর চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে রবিউলের সম্পৃক্ততা এবং গুপ্তচরবৃত্তির বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর তাকে প্রথমে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩’-এর আওতায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
"জিজ্ঞাসাবাদে রবিউলকে ১০ থেকে ১২ বছরে ১৫ বারের বেশি বাংলাদেশে আসা-যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। তিনি কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালত, উত্তরা পশ্চিম থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবিউল ইসলাম, মো. নূর আলম, হাসিবুল্লাহ পিয়াস, শামসুদ্দোহা সুমন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ দিনের রিমান্ড, ১৫ দিনের মোট রিমান্ড, ১৫ বার আসা-যাওয়া, ১০-১২ বছর, ২৩ সেপ্টেম্বর, ৫৪ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!