📌 বাংলাদেশে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। পুলিশের অভিযোগে তিনি ১০ থেকে ১২ বছর ধরে গুপ্তচরবৃত্তি করতেন এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিরোধী কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন
বাংলাদেশে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ। বৃহস্পতিবার শুনানির পর আদালত এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন প্রথম আলোকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রবিউল ইসলামকে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
- 📌 ১৯২৩ সালের অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টর ৩, ৩/এ, ৪, ৫ এবং ৯ ধারায় মামলা করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
- 📌 ১০ থেকে ১২ বছর ধরে তিনি গুপ্তচরবৃত্তি করতেন এবং বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য পাচার করতেন।
- 📌 ১৪ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন রবিউল।
- 📌 পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা নুর আলম রবিউলের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় মেজবাহ উদ্দিন (ডিবি রমনা বিভাগের পরিদর্শক) অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের মামলা করেন। এরপর পুলিশের কর্মকর্তা নুর আলম রবিউলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, রবিউলের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পাসপোর্টে জন্মতারিখের গরমিল রয়েছে। তিনি ভারতীয় নাগরিক হলেও পাসপোর্টে জন্মস্থান হিসেবে সৌদি আরবের রিয়াদ উল্লেখ আছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল স্বীকার করেছেন, তিনি ১০ থেকে ১২ বছর ধরে বাংলাদেশে পর্যটক ও ব্যবসায়িক ভিসায় একাধিকবার আসতেন। মূলত ব্যবসায়িক কার্যক্রমের আড়ালে তিনি গুপ্তচরবৃত্তি করতেন এবং বিদেশি একটি গোয়েন্দা সংস্থার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করতেন।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১৫ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থানকালে রবিউল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্বার্থবিরোধী কার্যক্রমে জড়ান। তিনি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও নিষিদ্ধ এলাকার ছবি, স্পর্শকাতর নথি ও তথ্য সংগ্রহ করে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানোর চেষ্টা চালান।
এই ঘটনার পূর্বে, ২৩ সেপ্টেম্বর রবিউলকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। প্রথম দফায় চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। পরবর্তীতে, ২৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। দুই দফায় আট দিনের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা করেছে।
"রবিউল ১০ থেকে ১২ বছর ধরে গুপ্তচরবৃত্তি করতেন এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করতেন। তিনি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিরোধী কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (উত্তরা পশ্চিম থানা, রমনা বিভাগ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবিউল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন, নুর আলম, শামসুদ্দোহা সুমন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ দিনের রিমান্ড, ১০ থেকে ১২ বছর, ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৫ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!