📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক রবিউলকে আবার ৩ দিনের রিমান্ডে নেয় আদালত

গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক রবিউলকে আবার ৩ দিনের রিমান্ডে নেয় আদালত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামকে ঢাকার আদালত আবার তিন দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, তিনি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাচার করতেন

গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামকে ঢাকার একটি আদালত আবার তিন দিনের রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ এই আদেশ জারি করেন। রবিউলকে গত ১ অক্টোবর সরকারি গোপন আইনে (অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট) মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু আদালত এবার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রবিউল ইসলামকে গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে আবার তিন দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।
  • 📌 মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ এই আদেশ দিয়েছেন।
  • 📌 পুলিশের অভিযোগ: রবিউল ১০-১২ বছর ধরে বাংলাদেশে গুপ্তচরবৃত্তি করতেন এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাচার করতেন।
  • 📌 ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তারের পর রবিউলকে গত ২৩ ও ২৭ সেপ্টেম্বর চার দিন করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।
  • 📌 রবিউলের পাসপোর্টে জন্মস্থান হিসেবে সৌদি আরবের রিয়াদ উল্লেখ করা হলেও তিনি ভারতীয় নাগরিক দাবি করেন।
  • 📌 পুলিশের তল্লাশিতে খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে মোটরসাইকেলের পকেট থেকে ৯৫০টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক মো. নুর আলম সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন, কিন্তু আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রবিউলকে গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকার উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর থেকে আটক করা হয়। পুলিশের অভিযোগ, তিনি গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে অবস্থান করছিলেন এবং তাঁর গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। পাসপোর্ট দেখিয়ে তিনি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করলেও, তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স ও জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্মতারিখ পাসপোর্টের সাথে মিলে না। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রবিউল ১০ থেকে ১২ বছর ধরে বাংলাদেশে যাতায়াত করেছেন এবং বিভিন্ন সময়ে গুপ্তচরবৃত্তি ও তথ্য পাচার করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, রবিউলের বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার গৌড়িভোজ গ্রামে। পুলিশের অভিযোগ, তিনি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি তথ্য বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাচার করতেন। এছাড়া, তিনি দেশের নিষিদ্ধ এলাকার ছবি ও গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেছিলেন।

"রবিউল স্বীকার করেছেন যে, তিনি প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর ধরে বাংলাদেশে যাতায়াত করেছেন এবং গুপ্তচরবৃত্তি করতেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মেট্রোপলিটন আদালত), উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর, সাতক্ষীরা (ভোমরা স্থলবন্দর), খাগড়াছড়ি (মানিকছড়ি)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবিউল ইসলাম, ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ, আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন, পুলিশ কর্মকর্তা মো. নুর আলম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দিন (রিমান্ড), ১ অক্টোবর (মামলা দায়ের), ১৪ সেপ্টেম্বর (বাংলাদেশে প্রবেশ), ৯৫০টি (ইয়াবা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖