📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গোয়েন্দা অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক রবিউলকে চতুর্থ রিমান্ডে: পাসপোর্টে সৌদি আরবের জন্মস্থান লুকিয়ে রাখা

গোয়েন্দা অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক রবিউলকে চতুর্থ রিমান্ডে: পাসপোর্টে সৌদি আরবের জন্মস্থান লুকিয়ে রাখা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামকে গোয়েন্দা অভিযোগে চতুর্থ রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। পাসপোর্টে সৌদি আরবের জন্মস্থান উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও তিনি ভারতীয় নাগরিক হিসেবে পরিচিত। পুলিশের দাবি, তিনি গোয়েন্দাবৃত্তিতে জড়িত ছিলেন এবং বাংলাদেশের নিরাপত্তা সংবেদনশীল তথ্য বিদেশি সংস্থাগুলোকে পাঠানোর চেষ্টা করেছেন

গোয়েন্দা অভিযোগে বাংলাদেশের নিরাপত্তা সংবেদনশীল তথ্য বিদেশি সংস্থাগুলোকে পাঠানোর চেষ্টা করার সন্দেহে ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামকে ঢাকার একটি আদালতে চতুর্থ রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল্লাহ পিয়াসের আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন প্রথম আলোকে জানান, রবিউলকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তের অংশ হিসেবে আদালতে হাজির করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চতুর্থ রিমান্ড: গোয়েন্দা অভিযোগে রবিউল ইসলামকে চতুর্থ রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, মঞ্জুর হয়েছে তিন দিনের রিমান্ড।
  • 📌 পাসপোর্টে সৌদি আরবের জন্মস্থান: রবিউলের পাসপোর্টে জন্মস্থান হিসেবে সৌদি আরবের ‘রিয়াদ’ উল্লেখ রয়েছে, কিন্তু তিনি ভারতীয় নাগরিক হিসেবে পরিচিত।
  • 📌 ১৫ বার বাংলাদেশে প্রবেশ: গত ১০-১২ বছরে রবিউল ১৫ বার বেশি বাংলাদেশে ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসায় প্রবেশ করেছেন, কিন্তু কোনো সন্তোষজনক কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেননি।
  • 📌 গোয়েন্দাবৃত্তি সন্দেহ: পুলিশের দাবি, রবিউল গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার ছবি এবং নিষিদ্ধ নথিপত্র বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানোর চেষ্টা করেছেন।
  • 📌 অস্পষ্ট তথ্য: প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল অস্পষ্ট তথ্য দিয়েছেন, সহযোগীদের নাম ও পৃষ্ঠপোষকদের বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি।

📰 বিস্তারিত

রবিউল ইসলামকে উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর রোডের ৬০ নম্বর বাসার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) রমনা বিভাগের পরিদর্শক মো. নূর আলম আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করে, কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার বিবরণে পুলিশ জানায়, রবিউল পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মাটিয়া থানার গৌরিভোজ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গত ১৪ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন এবং ১৫ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে অবস্থান করেন। পুলিশের দাবি, রবিউল মূলত ব্যবসায়িক কার্যক্রমের আড়ালে গোয়েন্দাবৃত্তিতে লিপ্ত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের নিরাপত্তা সংবেদনশীল তথ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার ছবি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানোর চেষ্টা করেছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল অস্পষ্ট ও খণ্ডিত তথ্য দিয়েছেন। তিনি কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজ করছেন, তাঁর পৃষ্ঠপোষক ও অর্থদাতা কারা এবং বাংলাদেশে তাঁর সহযোগী কারা, এসব তথ্য এখনো প্রকাশ করেননি। পুলিশের দাবি, সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং পৃষ্ঠপোষকদের বিষয়ে নিশ্চিত হতে তাঁকে আবার রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

"রবিউল মূলত ব্যবসায়িক কার্যক্রমের আড়ালে গোয়েন্দাবৃত্তিতে লিপ্ত ছিলেন। তিনি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও নিষিদ্ধ এলাকার ছবি এবং রাষ্ট্রীয় স্পর্শকাতর নথিপত্র বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানোর চেষ্টা করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত), উত্তরা পশ্চিম থানা, সাতক্ষীরা স্থলবন্দর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবিউল ইসলাম, ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল্লাহ পিয়াস, আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন, পুলিশ কর্মকর্তা মো. নূর আলম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বার (বাংলাদেশে প্রবেশ), ৩ দিন (চতুর্থ রিমান্ড), ১০-১২ বছর (বাংলাদেশে যাতায়াত), ২৪ পরগনা (পশ্চিমবঙ্গ জেলা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖