📌 ঢাকার অতিরিক্ত চিফ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ ৭ দিনের রিমান্ডে নিলেন ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামকে। পুলিশের দাবি, তিনি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করতেন
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ ৭ দিনের রিমান্ডে নিলেন ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামকে। পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) দায়ের করা অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলায় রবিউলকে গ্রেপ্তার দেখানোর পর এই সিদ্ধান্ত নেয় আদালত। রবিউলকে দুই দফায় রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ নিশ্চিত হয়, তিনি বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কাজে নিয়োজিত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ দিনের রিমান্ড: অতিরিক্ত চিফ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রবিউল ইসলামকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিলেন।
- 📌 অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা: ১৯২৩ সালের সরকারি গোপন আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ রবিউলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
- 📌 সন্দেহজনক গতিবিধি: রবিউলকে ২১ সেপ্টেম্বর আটক করা হয়। তার পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডির জন্মতারিখের মিল নেই।
- 📌 গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ: রবিউল স্বীকার করেন, তিনি বাংলাদেশে ট্যুরিস্ট ভিসায় প্রবেশ করে গুপ্তচরবৃত্তি করতেন এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করতেন।
- 📌 সৌদি আরবের পাসপোর্ট: রবিউল ভারতীয় নাগরিক হলেও তার পাসপোর্টে জন্মস্থান উল্লেখ করা হয়েছে সৌদি আরবের রিয়াদ।
📰 বিস্তারিত
মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত প্রথমে তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন শুনানোর পর ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রবিউলকে ২৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বরও তাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রবিউল ২১ সেপ্টেম্বর রাত ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টর থেকে আটক হন। পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় রবিউল স্বীকার করেন, তিনি প্রায় ১০-১২ বছর যাবত বাংলাদেশে একাধিকবার যাতায়াত করেছেন। তিনি ট্যুরিস্ট ভিসা, বিজনেস ভিসা বা অন্যান্য ভিসায় বাংলাদেশে প্রবেশ করতেন এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমের আড়ালে গুপ্তচরবৃত্তি করতেন। তার জব্দকৃত পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও জাতীয় পরিচয়পত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পাসপোর্টের জন্মতারিখের মিল নেই।
"আমি প্রায় ১০-১২ বছর যাবত বাংলাদেশে একাধিকবার যাতায়াত করেছি। বেশির ভাগ সময় ট্যুরিস্ট ভিসায় প্রবেশ করতাম এবং বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করতাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টর, রমনা বিভাগ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবিউল ইসলাম, অতিরিক্ত চিফ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ, মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ দিনের রিমান্ড, ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন, ২১ সেপ্টেম্বর আটক, ২৩ ও ২৭ সেপ্টেম্বর রিমান্ড, ১৯২৩ সালের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!